Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের রহস্যজনক মৃত্যু

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৬ এএম

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের রহস্যজনক মৃত্যু

বিজ্ঞাপন

ভারতের আসাম রাজ্যের তিনসুকিয়া জেলার কাকপাথারের বাসিন্দা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ যুগমায়া দত্তের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। লাইফস্টাইল ভ্লগ ও ট্রেন্ডিং রিল ভিডিওর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই তরুণীর মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার তদন্তে তার মুঠোফোন জব্দ করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুগমায়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার অনুসারীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিয়মিত লাইফস্টাইল ভ্লগ ও বিভিন্ন ট্রেন্ডের ভিডিও প্রকাশ করে অল্প সময়ের মধ্যে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। ভিডিওতে তার সাবলীল উপস্থাপনা ও হাসিখুশি উপস্থিতি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

অসমের তিনসুকিয়ার কাকপাথারের বাসিন্দা ছিলেন যুগমায়া দত্ত। তার শ্বশুরবাড়ি চাবুয়ায়। দীর্ঘদিন ধরেই সোশাল মিডিয়ার জন্য কনটেন্ট তৈরি করতেন যুগমায়া। মূলত লাইফ স্টাইল ভ্লগিং করতেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন রকম রিল পোস্ট করতেন। তার হাসি মুখের ভিডিও দেখতে ভালোবাসতেন অনুরাগীরা।

জানা গেছে, কিছুদিন আগে বাপের বাড়ি গিয়েছিলেন যুগমায়া। ফেরার সময় মাকে বলেছিলেন, দ্রুতই আবারও যাবেন। সেই সময় টাকা পয়সা সংক্রান্ত কোনও আলোচনা হয়। এরপর গত ২৬ তারিখ রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় বধূর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও জল্পনা চলছে। অনেকেই দাবি করছেন, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ক্রিয়েটর। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আর্থিক সংকট, দাম্পত্য জীবনের কোনো সমস্যা কিংবা অন্য কোনো বিষয় এর সঙ্গে জড়িত কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।

যুগমায়ার বাবার পরিবারের দাবি, তার দাম্পত্য জীবনে বড় ধরনের কোনো অশান্তি ছিল না। ফলে আকস্মিক এই মৃত্যু তাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ জন্য যুগমায়ার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি জব্দ করা হয়েছে। ফোনের তথ্য পর্যালোচনা করে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়ার আশা করছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত এই তরুণ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের আকস্মিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন তার অনুসারীরা। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার