Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

এবার সেই কিশোরীর বাবা-মামা ও ভাইকে খালি গায়ে ঘোরাল পুলিশ

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৯ এএম

এবার সেই কিশোরীর বাবা-মামা ও ভাইকে খালি গায়ে ঘোরাল পুলিশ

বিজ্ঞাপন

ভারতের কলকাতায় কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকার অভিযোগে বাবা ও বন্ধুসহ তরুণকে জনাকীর্ণ সড়ক দিয়ে নগ্ন অবস্থায় হাঁটাতে বাধ্য করার ঘটনায় এবার অভিযুক্তদের খালি গায়ে হাঁটিয়েছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার কিশোরীর বাবা, মামা ও বড় ভাইকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ওই এলাকার রাস্তায় হাঁটানো হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানা যায়, মঙ্গলবার তাঁদের কোমরে দড়ি বেঁধে বেহালার সারসুনা এলাকার ক্ষুদিরাম পল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তাঁদের গায়ে জামা ছিল না এবং তাঁরা খালি পায়ে ছিলেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, বাবা ও বন্ধুসহ তরুণকে মারধর করে জনসমক্ষে অপদস্থ করার ঘটনার দুই দিন পর পুলিশ অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। পুলিশ অভিযুক্তদের সেই একই পাড়ায় হাঁটায়।

অভিযোগগুলোর তদন্ত এখনো চলছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে সারসুনায় ওই কিশোরীর সঙ্গে দেখা করতে যায়। কিশোরীর মামার এক বন্ধু তাদের দেখে বাবা ও মামাকে জানায়।

অভিযোগ, তাঁরা ঘটনাস্থলে এসে ওই দুই তরুণকে ক্ষুদিরাম পল্লির একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে আটকে রেখে মারধর করা হয়। এ সময় কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা ওই তরুণের বাবাকেও ডেকে পাঠান। সেখানে যাওয়ার পর তরুণের বাবাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন মিলে তাঁকে আক্রমণ করেন। একপর্যায়ে কিশোরীর মামা তাঁর হাতে একটি বন্দুক তুলে দিয়ে নিজের ছেলেকে গুলি করা অথবা ছেলের সঙ্গে নগ্ন অবস্থায় রাস্তায় হাঁটার মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে বলেন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের কথা না শুনলে তিনজনকেই হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

প্রাণভয়ে তাঁরা নগ্ন হয়ে হাঁটতে রাজি হন বলে অভিযোগ করেছে পরিবারটি। এরপর বাড়ির বাইরের একটি গলি দিয়ে তাঁদের প্রায় ৫০ মিটার হাঁটতে বাধ্য করা হয়। এ সময় উপস্থিত লোকজন মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তরুণ ও তাঁর বন্ধুকে প্রথমে আটকে রেখে মারধর করা হয়। পরে তরুণের বাবাকে সেখানে ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ভুক্তভোগীদের কাচের বোতল দিয়ে মারধর করা হয়েছিল এবং বন্দুকের মুখে তাঁদের নগ্ন করে ঘোরানো হয়। তবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগসহ ঘটনার বিভিন্ন দিক এখনো তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

এ ঘটনায় তরুণের মাকেও মারধর করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার