Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

মাটিতে হলুদ বিন্দু দেখে খনন, মিলল ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৫ এএম

মাটিতে হলুদ বিন্দু দেখে খনন, মিলল ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড

বিজ্ঞাপন

মাটিতে ছোট্ট একটি হলুদ আভা দেখে খনন শুরু করেছিলেন এক শৌখিন অনুসন্ধানকারী। কয়েক দিনের অনুসন্ধানের পর তাঁর হাতে উঠে আসে প্রায় ১ হাজার ২০০ গ্রাম ওজনের বিশাল এক স্বর্ণের খণ্ড। অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া এই স্বর্ণখণ্ডটির মূল্য আনুমানিক দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ থেকে ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি করা হলে এর দাম ২ লাখ ডলার বা প্রায় ২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, দেশটির নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টিবুবুরার কাছে মাউন্ট স্টুয়ার্ট স্টেশনে স্বর্ণের সন্ধান করছিলেন ওই ব্যক্তি। কয়েক দিন ধরে ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র দিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে তিনি পুরোনো পেরেক, ঘোড়ার খুরের লোহার টুকরা ও ব্যবহৃত সিসার গুলির মতো তেমন মূল্যহীন জিনিসই পাচ্ছিলেন।

তবে একপর্যায়ে মাটির মধ্যে ক্ষীণ হলুদ আভা নজরে আসে তাঁর। আশপাশের মাটি সরাতেই বেরিয়ে আসে আলুর আকৃতির একটি স্বর্ণখণ্ড, যার সঙ্গে মিশে ছিল কোয়ার্টজ পাথর।

১০০ মিলিমিটার গভীরে মিলল স্বর্ণ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই অনুসন্ধানকারী জানান, ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্রে প্রথম দিকে খুব জোরালো সংকেত পাওয়া যায়নি। কিন্তু মাটির প্রায় ১০০ মিলিমিটার গভীরে যাওয়ার পর যন্ত্রটি তীব্র সংকেত দিতে শুরু করে। গর্তে প্রথম বা দ্বিতীয়বার মাটি সরানোর সময়ই তিনি হলুদ বিন্দুটি দেখতে পেয়েছিলেন।

স্বর্ণখণ্ডটি ‘টিবুবুরা স্পাড’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। এর মোট ওজন প্রায় ১ দশমিক ২ কেজি। তবে পুরো খণ্ডটি বিশুদ্ধ স্বর্ণ নয়; এতে রয়েছে প্রায় ৯৪০ গ্রাম বিশুদ্ধ স্বর্ণ।

সংগ্রাহকদের কাছে বাড়তে পারে দাম

বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, স্বর্ণের পরিমাণ ও বাজারমূল্য বিবেচনায় খণ্ডটির দাম ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের মধ্যে হতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তিগত সংগ্রাহক এটি কিনতে আগ্রহী হলে দাম ২ লাখ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

স্বর্ণখণ্ডটি মাটি খুঁড়ে বের করে আনার পুরো ঘটনাটি ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে। বিরল এই আবিষ্কারের মুহূর্তে অনুসন্ধানকারীর বিস্ময় ও উচ্ছ্বাসও ধরা পড়েছে সেই ভিডিওতে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার