Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে মিলি মুন ডায়াপার নিয়ে শত শত অভিযোগ, শিশুদের ত্বকে র‍্যাশ ও র ক্তপাতের দাবি

Icon

যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে মিলি মুন ডায়াপার নিয়ে শত শত অভিযোগ, শিশুদের ত্বকে র‍্যাশ ও র ক্তপাতের দাবি

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনজ্যুমার রিপোর্টস অভিভাবকদের বিলাসবহুল ব্র্যান্ড 'মিলি মুন'-এর ডায়াপার কেনা ও ব্যবহার বন্ধ করার জোর আহ্বান জানিয়েছে। ইউএস কনজ্যুমার প্রোডাক্ট সেফটি কমিশনে (সিপিএসসি) জমা পড়া ৬০০-এর বেশি অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৬ অক্টোবর ডায়াপারগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের এই অনুরোধ করা হয়।

শুধু গত এক মাসেই তিন শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে, যেখানে অভিভাবকরা জানিয়েছেন এই ডায়াপার ব্যবহারের ফলে শিশুদের নিতম্ব ও যৌনাঙ্গে মারাত্মক র‍্যাশ, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া এবং রক্তপাতের মতো ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় অনেক অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন।

ক্ষুব্ধ অভিভাবকদের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা বছরের পর বছর ধরে কোনো সমস্যা ছাড়াই মিলি মুন ডায়াপার ব্যবহার করে আসছিলেন, তবে সম্প্রতি কেনা নতুন প্যাকেটের ডায়াপারগুলোতেই বিপত্তি ঘটছে। এক অভিভাবকের অভিযোগ, ডায়াপার পরানোর পর তাঁর দুই মাস বয়সী শিশুর ত্বকে রাসায়নিক পোড়ার মতো ভয়াবহ ক্ষত সৃষ্টি হয়, যা কোনো ক্রিমেই সারেনি।

আরেকজন জানান, তাঁর নবজাতকের ত্বকের চামড়া উঠে যাওয়ার পর অন্য ব্র্যান্ডের ডায়াপার পরালে তা সেরে যায়, কিন্তু মিলি মুন পুনরায় ব্যবহার করলেই আবার র‍্যাশ ফিরে আসে। ডায়াপারের পাশাপাশি তিন বছর বয়সীদের জন্য তৈরি পুল-আপস বা ট্রেইনিং প্যান্টস ব্যবহার করেও শিশুদের পেট ও পিঠে চুলকানি এবং লালচে ভাব দেখা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রেডিটসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিভাবকরা তাঁদের এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করছেন এবং অন্যদের সতর্ক করছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে মিলি মুন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি অভিযোগ আলাদাভাবে পর্যালোচনা করে তাদের কোয়ালিটি টিমের কাছে তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। তবে ডায়াপারের উপাদান বা তৈরির প্রক্রিয়ায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি বলে দাবি করেছে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি।

তাদের দাবি, গত ফেব্রুয়ারিতে শুধু ডায়াপারের বাইরের দিকের নকশা কিছুটা ওপরের দিকে বর্ধিত করা হয়েছিল। স্বাধীন গবেষণাগারে পরীক্ষার পর এতে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক বা উৎপাদনগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি বলেও কোম্পানিটি জানিয়েছে। বর্তমানে টার্গেট, ওয়ালমার্ট, সিভিএস, ক্রোজারসহ বিভিন্ন স্টোরে বিক্রি হওয়া এই ডায়াপার নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দিলে কনজ্যুমার রিপোর্টস ও মিলি মুন কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগী অভিভাবকদের সরাসরি কোম্পানির ওয়েবসাইটে অথবা সিপিএসসির কাছে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দিয়েছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার