Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রি করতে হিমশিম মালিকেরা, ক্রেতা পেতে লাখ ডলার পর্যন্ত ছাড়

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৩ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি বিক্রি করতে হিমশিম মালিকেরা, ক্রেতা পেতে লাখ ডলার পর্যন্ত ছাড়

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে এখন বাড়ি বিক্রি করতে আগের চেয়ে বেশি ছাড় দিতে হচ্ছে অনেক মালিককে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ধকী ঋণের উচ্চ সুদ, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়া এবং মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রেতাদের সামর্থ্য কমেছে। ফলে বিক্রেতাদের কেউ কেউ দাম কমাচ্ছেন, আবার কেউ ক্রেতার মেরামত বা বাড়ি কেনার সমাপনী খরচের অংশও বহন করছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ির বিজ্ঞাপিত মধ্যম দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে প্রায় ২১ শতাংশ বাড়ির বিজ্ঞাপিত দাম কমানো হয়, যা চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়।

টেক্সাসের এক বাড়ির মালিক লিজ সুদার ২০২৫ সালের এপ্রিলে তাঁর বাড়ির দাম ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার নির্ধারণ করেছিলেন। একাধিকবার দাম কমানোর পরও দীর্ঘদিন ক্রেতা না পাওয়ায় তাঁকে বাড়িটি বাজার থেকে সরিয়ে নিতে হয়। পরে আবার বিক্রির জন্য তুলে শেষ পর্যন্ত ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি করতে রাজি হন। চুক্তি সম্পন্ন করতে মেরামতের জন্য আরও ৯ হাজার ডলার দিতে সম্মত হন তিনি।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের এক বাড়ির মালিকের ক্ষেত্রেও দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতা না পাওয়ার ঘটনা উঠে এসেছে। বাড়ি বিক্রি না হওয়ায় তাঁর অন্য অঙ্গরাজ্যে চাকরির কারণে স্থানান্তরের পরিকল্পনাও আটকে রয়েছে। এমন ঘটনা দেখাচ্ছে, আবাসন বাজারের ধীরগতি শুধু আর্থিক হিসাবেই নয়, মানুষের পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও জীবনের পরিকল্পনাতেও প্রভাব ফেলছে।

রিয়েলটর ডটকমের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়ির ক্রেতা কমে যাওয়ায় বিক্রেতাদের দর-কষাকষিতে আগের মতো সুবিধা থাকছে না। অন্যদিকে, বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করা পরিবারের জন্য দাম কমার সুযোগ তৈরি হলেও উচ্চ বন্ধকী সুদ এবং অন্যান্য ব্যয় অনেকের জন্য বাড়ি কেনাকে এখনও কঠিন করে রেখেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্যও এ পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা প্রথম বাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের শুধু বাড়ির বিজ্ঞাপিত দাম নয়, বন্ধকী ঋণের সুদ, সম্পত্তি কর, বাড়ির বীমা, মেরামত ও অন্যান্য খরচ হিসাব করা জরুরি। আবার যাঁরা বাড়ি বিক্রি করে অন্য শহরে যেতে বা বড় বাড়ি কিনতে চান, তাঁদেরও বিক্রি হতে কত সময় লাগতে পারে তা বিবেচনায় রাখা দরকার।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার