Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

ফ্রান্সেরপর এবার বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, কীহচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোতে

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম

ফ্রান্সেরপর এবার বিক্ষোভে উত্তাল ইতালি, কীহচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোতে

বিজ্ঞাপন

ফ্রান্সের পর এবার ইতালিতেও বিক্ষোভ ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মিলান শহরে টানা দুই দিন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, দোকানপাটে লুটপাট ও স্থাপনা ভাঙচুরের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ৫০০ সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। নতুন করে সহিংসতার আশঙ্কায় শহরটির অভিজাত বিপণিবিতান এলাকার অনেক দোকান আগেভাগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ইতালির উপপ্রধানমন্ত্রী মাত্তেও সালভিনি জানান, মিলানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ৫০০ সেনা মোতায়েন করা হবে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ পদক্ষেপসহ নতুন নিরাপত্তাব্যবস্থার একটি প্যাকেজ অনুমোদনের কথা রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সপ্তাহান্তে মিলানে বিক্ষোভের সময় কয়েক শ মানুষ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় দোকানপাটে লুটপাট ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রবিবারের সহিংসতার ঘটনায় ২৭১ জন তরুণকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৩ জন বিদেশি নাগরিক।

মিলানের অভিজাত কেনাকাটার এলাকা ভিয়া মনতেনাপোলিওনে চ্যানেল, টিফানি ও ডিওরের মতো আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের দোকান রয়েছে। নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এসব দোকানের অনেকগুলো প্রদর্শনীর পণ্য সরিয়ে নিয়েছে। কয়েকটি দোকানের জানালা কাঠের পাটাতন ও মোটা কাগজ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার জনসেবার মান ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। মিলানের পাশাপাশি উত্তর ইতালির বোলোনিয়া, ব্রেশিয়া, বার্গামো ও তুরিন শহরেও বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে ইতালির সরকার। এর মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্কদের আটকসংক্রান্ত বিধান কঠোর করা এবং কিশোরদের সংঘবদ্ধ সহিংসতা ঠেকাতে নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় রয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন। আগামী বছর জাতীয় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাওয়া তার সরকারের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয়, জননিরাপত্তা ও অভিবাসন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু।

এর আগে প্রতিবেশী ফ্রান্সেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও জনসেবার অবনতির প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চলাকালে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ফলে ইউরোপের একাধিক দেশে জনঅসন্তোষ ও বিক্ষোভের পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। 

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার