Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

ভারতীয় শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসার কথা বলে এইচ-১বি কর্মীদের ‘দাস’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা ভ্যান্সের

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ এএম

ভারতীয় শ্বশুর-শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসার কথা বলে এইচ-১বি কর্মীদের ‘দাস’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা ভ্যান্সের

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এইচ-১বি ভিসায় কর্মরত বিদেশি পেশাজীবীদের 'বিদেশি চুক্তিবদ্ধ দাস' বলে আখ্যা দিয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন টিসিএস, ইনফোসিস, কগনিজ্যান্ট ও মাইক্রোসফটের মতো শীর্ষ আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থায়ী শ্রম সনদ কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দেয়।

মূলত বিদেশি কর্মীদের গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রথম ধাপ এই কর্মসূচি। এই সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে ভ্যান্স মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশি ‘দাস’ আমদানি বন্ধ করে আমেরিকান কর্মী নিয়োগের আহ্বান জানান। তবে তাঁর এই অবমাননাকর মন্তব্যের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।

সমালোচনার মুখে পড়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ড্যামেজ কন্ট্রোলে’ নামেন জে ডি ভ্যান্স। ঢাল হিসেবে তিনি ব্যবহার করেন নিজের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্ত্রী ও দক্ষিণ ভারত থেকে আসা শ্বশুর-শাশুড়িকে। বিদেশি কর্মীদের ‘দাস’ বলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, নিজের অভিবাসী শ্বশুরবাড়ি ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি চরম গর্বিত।

ভ্যান্সের দাবি, বিদেশিদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আমেরিকান কর্মীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থায় একটি ‘ভারসাম্য’ থাকা দরকার। কোনো কোম্পানি আমেরিকান কর্মী ছাঁটাই করে বিদেশি কর্মী আনলে তা কখনো ন্যায্য হতে পারে না।

তবে ভ্যান্সের এই ‘ভারসাম্য’ তত্ত্ব কিংবা শ্বশুরবাড়ির আবেগি গল্পে মন গলেনি ভারতের। ভারতীয় আইটি পেশাজীবীদের 'দাস' বলার কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একে 'অযৌক্তিক ও অত্যন্ত আপত্তিকর' বলে আখ্যা দিয়েছে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ভারতীয় পেশাজীবীরা কোনো দাস নন; বরং তাঁরা উচ্চশিক্ষিত, অত্যন্ত দক্ষ এবং মার্কিন অর্থনীতি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে তাঁদের অবদান অনস্বীকার্য।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার