বিজ্ঞাপন
যুক্তরাজ্যের ১২ বিমানবন্দরে পাসপোর্ট চেকিংয়ে আসছে নতুন প্রযুক্তি, চেহারা দেখেই পার হওয়া যাবে গেট
যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৮ এএম
বিজ্ঞাপন
যুক্তরাজ্যে প্রবেশের সময় যোগ্য যাত্রীদের আর ই গেটের রিডারে পাসপোর্ট রাখতে হবে না। ক্যামেরায় তোলা মুখের ছবি দিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটির বর্ডার ফোর্স। গত ৬ অক্টোবর ইস্ট মিডল্যান্ডস বিমানবন্দরে শুরু হওয়া এই সুবিধা পর্যায়ক্রমে মোট ১৩টি বিমানবন্দরে সম্প্রসারণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে শুধু ব্রিটিশ নাগরিকেরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বর্ডার ফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, যাত্রী ই গেটের সামনে গেলে ক্যামেরা তাঁর মুখের ছবি তুলবে। সেই ছবি আগে থেকে যাচাই করা অভিবাসন, ভ্রমণ ও পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই সফলভাবে শেষ হলে গেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে।
তবে এই সুবিধা চালুর অর্থ পাসপোর্ট ছাড়া ভ্রমণের অনুমতি নয়। যাত্রীদের অবশ্যই বৈধ পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতে হবে। মুখের ছবি দিয়ে যাচাই সম্পন্ন না হলে বা বাড়তি পরীক্ষা প্রয়োজন হলে রিডারে পাসপোর্ট রাখতে বলা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট যাত্রীকে বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তার কাছেও যেতে হবে।
সরকারি তালিকায় ইস্ট মিডল্যান্ডসসহ মোট ১৩টি বিমানবন্দর রয়েছে। বাকি ১২টি হলো বার্মিংহাম, ব্রিস্টল, কার্ডিফ, এডিনবরা, গ্যাটউইক, গ্লাসগো, হিথ্রো, লন্ডন সিটি, লুটন, ম্যানচেস্টার, নিউক্যাসল ও স্ট্যানস্টেড। অর্থাৎ একটি বিমানবন্দরে শুরু হওয়া ব্যবস্থা আরও ১২টিতে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্ডার ফোর্স জানিয়েছে, ধাপে ধাপে প্রযুক্তিটি চালু করে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বিমানবন্দরগুলোর সব ই গেট হালনাগাদ করার লক্ষ্য রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বর্তমানে ই গেট ব্যবহারের যোগ্য অন্য দেশের নাগরিকদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। নতুন প্রযুক্তির কারণে ই গেট ব্যবহারের বিদ্যমান যোগ্যতা পরিবর্তন হচ্ছে না।
প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আমাডেউসও ১৯ অক্টোবর জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ১৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাদের ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পরিবর্তন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য চালুর পর পর্যায়ক্রমে যোগ্য বিদেশি নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
ব্রিটিশ সরকারের দাবি, পরীক্ষায় নতুন ব্যবস্থাটি পাসপোর্ট রিডারে রেখে ই গেট ব্যবহারের তুলনায় সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ দ্রুত কাজ করেছে। তবে অভিবাসন ও নিরাপত্তার সব পরীক্ষা বহাল থাকবে। ই গেটগুলোও বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।