বিজ্ঞাপন
সৌদি আরবের চার অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৯ এএম
বিজ্ঞাপন
সৌদি আরবের চারটি অঞ্চলের বিভিন্ন অংশে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে তীব্র বজ্রপাত ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কায় এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম)। রোববার (১৮ অক্টোবর) সৌদির আবহাওয়া সংস্থাটির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
এনসিএমের বুলেটিন অনুযায়ী, জিজান, আসির, আল-বাহা এবং মক্কা অঞ্চলের কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এর সাথে শিলাবৃষ্টি এবং শক্তিশালী দমকা হাওয়া বইতে পারে, যা ধূলিঝড় ও বালুঝড়ের সৃষ্টি করতে পারে।
সংস্থাটির সর্বশেষ পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আবহাওয়ার এই অস্থির পরিস্থিতির কারণে এই চার অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভারী বর্ষণের ফলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে গেছে।
এ ছাড়া জিজান, আসির, আল-বাহা এবং মক্কার কিছু অংশসহ পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে দৃশ্যমানতা বা দৃষ্টিসীমা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।
সৌদি আরবে রেড অ্যালার্ট
এদিকে, সৌদির বিভিন্ন শহরে তাপমাত্রা চড়া থাকার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দাম্মামে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হতে পারে। এরপর রয়েছে মক্কা (৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস), রিয়াদ এবং বুরাইদাহ (উভয় শহরেই ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
মদিনায় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে এবং জেদ্দা ও জিজানে তা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়াতে পারে। এছাড়া হায়েলে ৩৩ ডিগ্রি, আরাক, সাকাকা ও নাজরানে ৩২ ডিগ্রি এবং তাবুকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হতে পারে।
অপরদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিমের পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে তুলনামূলক ঠাণ্ডা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। যেখানে আবভায়ায় আবহায় ১৫ ডিগ্রি এবং আল-বাহায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকতে পারে।
আর্দ্রতার মাত্রা বা বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আবহা, আল-বাহা এবং জিজানে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া জেদ্দা ও দাম্মামে ৮৫ শতাংশ এবং মক্কায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত আর্দ্রতা থাকতে পারে।
দেশটির অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে তাবুক, আরার ও সাকাকায় ৭০ শতাংশ, মদিনা ও হায়েলে ৫৫ শতাংশ, রিয়াদ ও নাজরানে ৩৫ শতাংশ এবং বুরাইদাহতে ৩০ শতাংশ আর্দ্রতা থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।