বিজ্ঞাপন
দিল্লিজুড়ে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী আটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
বিজ্ঞাপন
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে দিল্লিজুড়ে পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সকালে বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছানো মাত্রই আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ সহস্রাধিক বিক্ষোভকারীকে।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি জানিয়েও দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নেওয়া অব্যাহত রেখেছে।
দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে জানা যায়, দুপুর ২টা পর্যন্ত দিল্লিজুড়ে পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাত একটা থেকেই বিক্ষোভকারীরা দিল্লি যন্তর মন্তরের দিকে জড়ো হতে শুরু করেন। কিন্তু পুলিশ বেশ সক্রিয় ছিল।
যন্তর মন্তরের দিকে যাত্রা করা বাসগুলো এবং দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়।
দিল্লি
এরই মধ্যে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রথম সারির বেশির ভাগ নেতাকে আটক করা হয়েছে। এ তালিকায় আছেন—অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, রত্না সিং। আটক করা হয়েছে জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠি ও কাব্য কর্ণাটককে।
আটক করা হয়েছে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদেরও। তাদের মধ্যে আছেন—কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, নেতা এমভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস, কে এন বালাগোপাল, বৃন্দা কারাত প্রমুখ।
মুম্বাইয়ে আটক করা হয়েছে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র ও ‘হাম ভারত কে লগ’ সংগঠনের সভাপতি তুষার গান্ধীকেও।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে জানা যায়, নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি অপারেশনাল জোনে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জোনের জন্য নির্দিষ্ট আটক কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, নয়াদিল্লি জেলাকে ২০টি জোনে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি জোনের জন্য নির্দিষ্ট আটক কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
জাতীয় রাজধানীজুড়ে স্টেডিয়ামগুলোকেও অস্থায়ী আটক কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এখানে আটক বিক্ষোভকারীদের রাখা হচ্ছে।