Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে মুসলিমদের সংখ্যা, ২০৪০ সালে ইহুদিদের ছাড়িয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হতে পারে ইসলাম

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

যুক্তরাষ্ট্রে দ্রুত বাড়ছে মুসলিমদের সংখ্যা, ২০৪০ সালে ইহুদিদের ছাড়িয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হতে পারে ইসলাম

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ও ধর্মীয় দৃশ্যপটে আগামী কয়েক দশকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য ও গবেষণার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২০৪০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। বর্তমানে দেশটিতে খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারীদের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা।

তবে দেশটিতে মুসলিম জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে আগামী দুই দশকের কম সময়ের মধ্যেই তারা ইহুদিদের ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পিউ রিসার্চের দীর্ঘমেয়াদি পরিসংখ্যান বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের সংখ্যা পৌঁছাবে প্রায় ৮১ লাখে, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২.১ শতাংশ।

এর আগে ২০১৭ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৪ লাখ ৫০ হাজার মুসলিম বসবাস করেন, যা ছিল মোট জনসংখ্যার প্রায় ১.১ শতাংশ। পিউ সেন্টারের ডেমোগ্রাফিক গবেষণা থেকে জানা যায়, মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিমদের অভিবাসন এবং আমেরিকান মুসলিমদের তুলনামূলক উচ্চ জন্মহারের কারণে দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় এক লাখ করে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো আমেরিকান মুসলিম জনসংখ্যার আকার নিয়ে প্রাক্কলনের পর থেকে এই সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে ও দ্রুতগতিতে বেড়েই চলেছে।

বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে যুক্তরাষ্ট্রের এই ধর্মীয় রূপান্তরের চিত্রটি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পুরোনো প্রতিবেদনে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের হার ৭১ শতাংশ বলা হলেও, পিউ রিসার্চের সাম্প্রতিক (২০২৪-২০২৫) তথ্য অনুযায়ী তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে বর্তমানে প্রায় ৬২ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে দেশটিতে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নন (অ্যাগনস্টিক বা নাস্তিক) এমন মানুষের সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে।

একদিকে খ্রিষ্টানদের হার কমে আসা এবং অন্যদিকে অভিবাসন ও জন্মহারের কারণে মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ ধর্মীয় কাঠামোতে ইসলাম একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে যাচ্ছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার