Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

পূর্বপুরুষের জিনের কারণে শিশুর গায়ের রং কালো, দাবি শ্বেতাঙ্গ মায়ের! ডিএনএ টেস্টের পরও থামেনি বিতর্ক

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম

পূর্বপুরুষের জিনের কারণে শিশুর গায়ের রং কালো, দাবি শ্বেতাঙ্গ মায়ের! ডিএনএ টেস্টের পরও থামেনি বিতর্ক

বিজ্ঞাপন

নিজের পূর্বপুরুষদের পরিচয় জানার জন্য ডিএনএ টেস্ট করিয়েছিলেন এক মা। পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর তার পরিবার সেটি প্রকাশ্যেও আনে। কিন্তু ফল প্রকাশের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ঘিরে পূর্বপুরুষের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ও সন্দেহের অবসান হয়নি।

এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওই নারীর পরিবার ডিএনএ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করলেও অনলাইনে থাকা অনেক মানুষের সন্দেহ দূর হয়নি। বরং ছবিটি যেসব প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানেই তার বংশপরিচয় নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।

ঘটনাটির উল্লেখযোগ্য দিক হলো, সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে অন্তত একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ফল সামনে আনা হয়েছিল। বংশপরিচয় বা পূর্বপুরুষের উৎস সম্পর্কে জানতে ডিএনএ টেস্ট বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। এ ধরনের পরীক্ষায় জেনেটিক তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন ব্যক্তির পূর্বপুরুষের সম্ভাব্য ভৌগোলিক উৎস ও আত্মীয়তার কিছু তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

তবে ডিএনএ পরীক্ষার ফলকে ঘিরেও মানুষের প্রত্যাশা ও ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। ভোক্তা পর্যায়ের ancestry DNA test সাধারণত কোনো ব্যক্তির পূর্বপুরুষের সম্ভাব্য অঞ্চল বা জনগোষ্ঠী সম্পর্কে অনুমানভিত্তিক তথ্য দেয়। এটি সবসময় পারিবারিক ইতিহাসের প্রতিটি প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর দেয় না।

এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে আলোচিত ঘটনাটিতে পরিবারের পক্ষ থেকে পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরও অনলাইনের সন্দেহ থামেনি। ফলে ঘটনাটি শুধু একটি পরিবারের বংশপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে একবার ধারণা তৈরি হয়ে গেলে প্রমাণ সামনে আসার পরও সেই ধারণা কীভাবে টিকে থাকতে পারে, সেই বিষয়টিও সামনে এনেছে।

তবে ওই নারী বা তার পরিবারের পরিচয়, ডিএনএ পরীক্ষার নির্দিষ্ট ফল এবং অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ছবির সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। পরিবারের প্রকাশ করা পরীক্ষার ফল থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য বা সন্দেহকে স্বতন্ত্র প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার