Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যকে ভেঙে দিতে একজোট স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড ওয়েলস

সোমবার সমঝোতা স্মারক সই

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ এএম

যুক্তরাজ্যকে ভেঙে দিতে একজোট স্কটল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড ওয়েলস

বিজ্ঞাপন

ভেঙে খানখান হতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। ‘ইউনিয়ন জ্যাক’ ছেড়ে পৃথক রাষ্ট্র গড়তে গণভোট আয়োজনের জন্য সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করতে যাচ্ছেন স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের শীর্ষ নেতারা। খবর টেলিগ্রাফের।

কার্ডিফে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই ‘অভূতপূর্ব’ সম্মেলনে তিন দেশের ফার্স্ট মিনিস্টাররা একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করবেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য থেকে পৃথক হওয়ার জন্য গণভোটের দাবি পেশ করবেন তারা।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সম্প্রতি সংসদ সদস্যদের বলেছিলেন, স্পষ্ট জনমত থাকলে স্কটল্যান্ডে আরেকটি গণভোটের অনুমোদন দিতে পারেন তিনি। বার্নহ্যামের সেই বক্তব্যের পরই সম্মেলনে বসতে যাচ্ছেন তিন দেশের নেতারা।

এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ডাবলিন সফরকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ঐক্যবদ্ধ আয়ারল্যান্ড ‘চমৎকার একটি বিষয়’ হবে। আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে উত্তর আয়ারল্যান্ড যুক্ত হলে তা ‘দারুণ কিছু’ হবে উল্লেখ করে এই বিশ্বনেতা বলেন, ‘এতে খারাপের কী আছে?’

যুক্তরাজ্যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণকে নিজের রাজনীতির মূল এজেন্ডা হিসেবে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম। ঠিক সেসময় মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য ও তিন দেশের ফার্স্ট মিনিস্টারে ক্রমবর্ধমান চাপ তাকে বেশ কোণঠাসা করে ফেলেছে।

স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির (এসএনপি) নেতা ও স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি দাবি করেছেন, প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অবশেষে এই বাস্তবতা মেনে নিতে হচ্ছে। তিনি যুক্তরাজ্যের ‘সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবেই গণ্য হবেন।

এদিকে ওয়েলস পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে স্বাধীনতাপন্থি প্লাইড কামরি। দলটির নেতা রুন আপ ইওরথ বর্তমানে ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে স্কটল্যান্ডে গ্রিন ও রিফর্ম পার্টি কিছু আসন বাড়ালেও এসএনপি তাদের অবস্থান মজবুত রেখেছে। যদিও স্কটিশ পার্লামেন্টে তারা ছয়টি আসন হারিয়েছে।

উত্তর আয়ারল্যান্ডে ২০২২ সালের স্টরমন্ট নির্বাচনে জয় পায় সিন ফেইন। তবে ডিইউপি (ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি) বয়কট করায় মিশেল ও’নিলকে ফার্স্ট মিনিস্টার পদে বসতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। আগামী বছরের নির্বাচনেও দলটির জয় ধরে রাখার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার কার্ডিফ বে-র সেন্ট ডেভিডস হোটেলে বৈঠকে বসবেন তিন ফার্স্ট মিনিস্টার। তাদের সঙ্গে থাকবেন আয়ারল্যান্ডের বিরোধীদলীয় নেতা ও সিন ফেইনের প্রেসিডেন্ট মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড। যুক্তরাজ্যের শেকল ভেঙে বেরিয়ে আসার যৌথ কৌশল নির্ধারণ করতেই এই মেগা সামিট।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার