Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

মাঝ আকাশে যাত্রীর মাতলামি, সিটের সঙ্গে বেঁধে বিমানের জরুরি অবতরণ

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম

মাঝ আকাশে যাত্রীর মাতলামি, সিটের সঙ্গে বেঁধে বিমানের জরুরি অবতরণ

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস থেকে নিউয়ার্কগামী আমেরিকান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এক উচ্ছৃঙ্খল যাত্রীর বেপরোয়া আচরণের জেরে মাঝপথে জরুরি অবতরণের ঘটনা ঘটেছে। মদ্যপ অবস্থায় ওই যাত্রী চরম সহিংস হয়ে উঠলে বাধ্য হয়ে ক্রু ও সহযাত্রীরা মিলে তাঁকে ডাক্ট টেপ দিয়ে সিটের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বাল্টিমোরে বিমানটি অপ্রত্যাশিতভাবে অবতরণ করতে বাধ্য হন পাইলট। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম টিএমজেড-এর প্রকাশিত ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ফার্স্ট ক্লাসের সিটে বসা ওই যাত্রী আকস্মিকভাবে তাঁর পাশের সহযাত্রীর ওপর চিৎকার করতে শুরু করেন। এ সময় পরিস্থিতি শান্ত করতে এক ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট এগিয়ে এলে তিনি তাঁকেও লক্ষ্য করে চরম বর্ণবাদী ও সমকামিতাবিদ্বেষী কটূক্তি করেন।

একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির আচরণ চরম সহিংস রূপ নিলে বিমানের কর্মী ও সাধারণ যাত্রীরা মিলে তাঁকে ডাক্ট টেপ দিয়ে সিটের সঙ্গে শক্ত করে বেঁধে ফেলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তির কবজি, শরীর ও মাথা সম্পূর্ণভাবে টেপ দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় রয়েছে।

বাল্টিমোরে জরুরি অবতরণের পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে আটক করে বিমান থেকে নামিয়ে নেন। এরপর ফ্লাইটটি আবারও গন্তব্য নিউয়ার্কের উদ্দেশে যাত্রা করে।

এ ঘটনার পর আমেরিকান এয়ারলাইনস এক কড়া বিবৃতিতে জানিয়েছে, যাত্রী ও কর্মীদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং ফ্লাইটের ভেতর এ ধরনের কোনো সহিংস আচরণ কখনোই বরদাস্ত করা হবে না। একই সঙ্গে অত্যন্ত সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে চরম বৈরী এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিমানকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি।

অন্যদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই যাত্রী বর্তমানে ম্যারিল্যান্ড স্টেট পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় চার্জ গঠন করা হবে কি না, তা নির্ধারণের জন্য ম্যারিল্যান্ড জেলার ইউএস অ্যাটর্নির কার্যালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে আলোচনা করে বিস্তারিত তদন্ত চালানো হচ্ছে। তবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম বা বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার