Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগে আবারও আদালতের বাধা

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগে আবারও আদালতের বাধা

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগে আবারও আইনি বাধা এসেছে।

মেরিল্যান্ডের ফেডারেল বিচারক ডেবোরা বোর্ডম্যান ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়নে প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, আদেশটির লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুর জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করা, বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে প্রশাসন ‘জন্ম পর্যটন’ হিসেবে চিহ্নিত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর অধীনে সাধারণভাবে দেশটির মাটিতে জন্ম নেওয়া শিশুরা নাগরিকত্ব পেয়ে থাকে, কিছু সীমিত ব্যতিক্রম ছাড়া। এই সাংবিধানিক নীতিই আদালতের সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার আরেকটি নির্বাহী আদেশ জারি করেছিল। সেই উদ্যোগের বিরুদ্ধেও আদালতে মামলা হয় এবং পরে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তে সেটি বড় বাধার মুখে পড়ে।

নতুন আদেশে প্রশাসন কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের স্বয়ংক্রিয় অধিকার সীমিত করতে চেয়েছিল। এর মধ্যে অস্থায়ী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা বাবা-মায়ের সন্তানদের নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিবাসী পরিবার ও অধিকার সংগঠনগুলো আদালতে যুক্তি দিয়েছে, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করা যায় না। তারা আরও বলেছে, এমন নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

বিচারক বোর্ডম্যানের সিদ্ধান্তে আপাতত ওই আদেশ কার্যকর করার পথ বন্ধ হয়েছে। মামলাটি চলমান থাকায় বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনো হয়নি।

অর্থাৎ আদালতের এই সিদ্ধান্তকে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে চূড়ান্ত রায় বলা যাবে না। এটি মূলত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাহী আদেশ বাস্তবায়ন ঠেকানোর একটি অন্তর্বর্তী আইনি ব্যবস্থা।

এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী পরিবারগুলোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে যেকোনো পরিবর্তন লাখ লাখ পরিবারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সন্তানদের আইনগত অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার