বিজ্ঞাপন
দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতে বাংলাদেশি ২৪৩ শিক্ষার্থী
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪ এএম
বিজ্ঞাপন
দক্ষিণ কোরিয়ার সিংইয়ংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে টিউশন ফি পরিশোধ করেও ভিসা না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন ২৪৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। তারা অর্থ ফেরতের দাবিতে সে দেশের রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেউগু রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে বাংলাদেশি আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় কোরিয়ান আইনজীবীর সমন্বয়ে এসব অভিযোগ দাখিল করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টিউশন ফি পরিশোধের পর ভিসা না পাওয়ায় প্রথমে ২২৫ শিক্ষার্থী সমস্যায় পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়ায় গেলে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ২৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেউলিয়া কার্যক্রমের পরিবর্তে রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমের জন্য আদালতে আবেদন করে। আদালত আবেদন গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠান রিহ্যাবিলিটেশন প্রক্রিয়ার অধীনে চলে গেছে।
এরপর শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিয়োজিত কোরিয়ান আইনজীবীর পরামর্শে রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে অর্থ ফেরতের দাবি জানানোর সদ্ধিান্ত হয়। এ বিষয়ে ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশি্লষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম। পরে কোরিয়ান আইনজীবীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয়।
শুক্রবার ২২৫ শিক্ষার্থীর পাশাপাশি আরও ১৮ শিক্ষার্থীর পক্ষেও অভিযোগ দাখিল করা হয়। এতে মোট ২৪৩ শিক্ষার্থীর পাওনা অর্থ ফেরতের দাবি আদালতের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অন্তভুক্ত হলো। উচ্চশিক্ষার আশায় টিউশন ফি জমা দিয়ে ভিসার অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই এখন অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ আদালতে শিক্ষার্থীদের ক্লেইম দাখিল করা হয়েছে। এখন আদালতের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে। আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বৈধ পাওনা আদায়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য পাওনাদারেরও অর্থ পাওনা রয়েছে। ফলে আদালত আইন অনুযায়ী সব পাওনাদারের দাবি বিবেচনা করবে। এতে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।