Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

টাইফুন ডলফিনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড চীন, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ এএম

টাইফুন ডলফিনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড চীন, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

বিজ্ঞাপন

চীনের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন। ঝড়ের প্রভাবে সাংহাইয়ের দুটি বিমানবন্দরে অন্তত ১ হাজার ৩০০ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে ৩ লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেখা দিয়েছে বন্যার আশঙ্কা।

চিনের আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুসারে, রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ঝেজিয়াং প্রদেশের ইউহুয়ান শহরের কাছে টাইফুন ‘ডলফিন’ স্থলভাগে আঘাত হানে। স্থলভাগে আঘাত হানার সময় ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এর আগে শনিবার উত্তর তাইওয়ানে ব্যাপক বৃষ্টিপাত ঘটায় ঝড়টির বহিরাংশ।

চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের তাইঝো শহর এবং পাশের ফুজিয়ান প্রদেশের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হানার সময় টাইফুন ডলফিনের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৯৩ মাইল ছিল। এতে উপকূলজুড়ে সৃষ্টি হয় বিশাল ঢেউ। প্রবল বৃষ্টিতে ঝেজিয়াংয়ে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

সাংহাইয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দ্য পেপারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববারের নির্ধারিত ফ্লাইটের প্রায় ৬০ শতাংশ বাতিল করেছে শহরের হংকিয়াও ও পুডং বিমানবন্দর।

চীনের আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক দিনে বিভিন্ন এলাকায় ৮ থেকে ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তের তথ্য মতে, ঝেজিয়াং প্রদেশের মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে অত্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা দিয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় ২৫০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝড়ের ঝুঁকির মুখে কেবল ওয়েনঝৌ শহর থেকেই প্রায় ৯ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য এক হাজারেরও বেশি জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। 

এই ঝড়ের প্রভাব বিমান চলাচলের ওপরও পড়েছে। সাংহাইয়ের দুটি প্রধান বিমানবন্দরে আসা-যাওয়ার প্রায় ১,৪০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং ঝেজিয়াংয়ের হাংঝৌ বিমানবন্দরে বাতিল হয়েছে প্রায় ২৭০টি ফ্লাইট। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু এলাকায় ট্রেন চলাচলও স্থগিত রাখা হয়েছে। 

এই ঝড়ের প্রভাব বিমান চলাচলের ওপরও পড়েছে। সাংহাইয়ের দুটি প্রধান বিমানবন্দরে আসা-যাওয়ার প্রায় ১,৪০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং ঝেজিয়াংয়ের হাংঝৌ বিমানবন্দরে বাতিল হয়েছে প্রায় ২৭০টি ফ্লাইট। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু এলাকায় ট্রেন চলাচলও স্থগিত রাখা হয়েছে। 

ঝড়ের ঝুঁকির কারণে ঝেজিয়াং ও ফুজিয়ান অঞ্চলে ২০০টিরও বেশি ফেরি চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় প্রকল্পগুলোর কাজও বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে শত শত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত জাহাজকে বন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি, ফুজিয়ানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে প্রায় ৯৯ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। 

ঝড়ের ঝুঁকির কারণে ঝেজিয়াং ও ফুজিয়ান অঞ্চলে ২০০টিরও বেশি ফেরি চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয় প্রকল্পগুলোর কাজও বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে শত শত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত জাহাজকে বন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি, ফুজিয়ানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে প্রায় ৯৯ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন
চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র রোববার সকালে টাইফুন ‘ডলফিন’-এর জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি করেছে। চীনে ঝড়ের ক্ষেত্রে এটিই সতর্কতার সর্বোচ্চ পর্যায়। আবহাওয়া বিভাগ ঝেজিয়াংয়ের কয়েকটি এলাকায় অতিভারি বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করেছে। এছাড়া সোমবার বিকালের মধ্যে সাংহাই এবং ফুজিয়ান, আনহুই ও জিয়াংসু প্রদেশের কিছু অংশেও ভারি বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র রোববার সকালে টাইফুন ‘ডলফিন’-এর জন্য ‘রেড অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্কবার্তা জারি করেছে। চীনে ঝড়ের ক্ষেত্রে এটিই সতর্কতার সর্বোচ্চ পর্যায়। আবহাওয়া বিভাগ ঝেজিয়াংয়ের কয়েকটি এলাকায় অতিভারি বৃষ্টিপাতের বিষয়ে সতর্ক করেছে। এছাড়া সোমবার বিকালের মধ্যে সাংহাই এবং ফুজিয়ান, আনহুই ও জিয়াংসু প্রদেশের কিছু অংশেও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার