বিজ্ঞাপন
আরব আমিরাতে কড়াকড়ি, কারা পড়ছেন নিষেধাজ্ঞার আওতায়?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০১:১৫ এএম
বিজ্ঞাপন
সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ ও অবস্থান সংক্রান্ত আইনের নির্বাহী আদেশে কিছু শ্রেণির ব্যক্তিদের কালো তালিকাভুক্ত করে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে। ফেডারেল আইডেন্টিটি, নাগরিকত্ব, কাস্টমস ও বন্দর নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ (আইসিপি) এই বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ শ্রেণির বিদেশি নাগরিকরা কালো তালিকাভুক্ত হতে পারেন। তারা হলেন:
১. পূর্বে বহিষ্কারাদেশপ্রাপ্ত:
যাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক আদেশে (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আইসিপি কর্তৃক অনুমোদিত) কিংবা আদালতের রায়ে বহিষ্কারাদেশ জারি হয়েছে।
২. নিরাপত্তা ও অপরাধ সংক্রান্ত ঝুঁকি:
যাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় ফৌজদারি তদন্ত বা মামলা চলমান, যারা আন্তর্জাতিক অপরাধ সহযোগিতা বিভাগ (INTERPOL database) কর্তৃক চিহ্নিত, অথবা যারা অপরাধমূলক কারণে অন্য কোনো উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (GCC) দেশ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
৩. জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি:
যেসব বিদেশি নাগরিকের শরীরে মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি (যেমন এইচআইভি বা সক্রিয় যক্ষ্মা) শনাক্ত হয়েছে, অথবা স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধ মন্ত্রণালয় জনস্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত করেছে এমন অন্য কোনো রোগ রয়েছে।
৪. জনস্বার্থ ও নৈতিকতা:
যাদের প্রবেশ বা অবস্থান জাতীয় নিরাপত্তা, জনগণের নৈতিকতা বা সাধারণ জনস্বার্থের জন্য হুমকিস্বরূপ বলে বিবেচিত হয়।
৫. নির্দিষ্ট জাতীয়তা ও সাময়িক ভিসা স্থগিতাদেশ:
অনিয়মিত অভিবাসন, নথি জালিয়াতি ও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ঠেকাতে সাম্প্রতিক সময়ে উগান্ডা, দক্ষিণ সুদান ও কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।
মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সংক্রান্ত সতর্কতা থেকে ২০২৬ সালের জুন মাসে এই তিনটি দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় আইসিপি ও এনসিইএমএ (NCEMA)।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী নয়—নিরাপত্তা, কূটনৈতিক ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির পর্যালোচনা সাপেক্ষে তা পরিবর্তন বা প্রত্যাহার হতে পারে।