বিজ্ঞাপন
১৪ বড় চাকরির পরীক্ষায় ফেলের পর হলেন ম্যাজিস্ট্রেট
জানুন আস্থার সাফল্যের ৪ টোটকা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩০ এএম
বিজ্ঞাপন
ভারতের বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন আস্থা দমেলে।
বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতেন। ১৪টি বড়-বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়েও কাঙ্খিত সাফল্য মেলেনি। তারপরও হার মানেননি। হতাশ হননি। বরং ভারতের বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (এসডিএম) হয়েছেন আস্থা দমেলে।
হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখন্ডের পলেরার বাসিন্দা আস্থা। তবে ছোট থেকেই পড়াশোনার জন্য পরিবার ছেড়ে হোস্টেলে থাকতেন। ছতরপুর থেকেই সিবিএসই বোর্ডে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। এরপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ থেকে স্নাতক স্তর সম্পূর্ণ করে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
তারইমধ্যে গ্র্যাজুয়েশনের পড়াশোনার পাশাপাশিই শুরু করেন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রস্তুতি। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন, উত্তরপ্রদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও রাজস্থান পাবলিক সার্ভিস কমিশন মিলিয়ে ২১টি বড় পরীক্ষা দেন। ১৪ বারই কাঙ্খিত সাফল্য পাননি।
তিনবার ইউপিএসসির পরীক্ষায় ধাক্কা খেয়েছেন। কয়েকটি পরীক্ষায় সামান্য নম্বরের জন্য উত্তীর্ণ হতে পারেননি। সেভাবেই ক্রমাগত ব্যর্থতায় মন ভেঙে যাওয়া স্বাভাবিক। আস্থা হতাশ হননি। কোথায় ঘাটতি আছে, কোন ভুলগুলোর জন্য নম্বর কাটা যাচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রস্তুতি চালিয়ে যেতে থাকেন।
সেটার ফলই মেলে। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় ২৩তম স্থান অধিকার করেন। সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট হয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে সফল হওয়ার জন্য আস্থা চারটি টিপস দিয়েছেন। সেগুলো হলো-
১. নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক পড়াশোনা: প্রতিদিন সকালে বা আগের দিন রাতেই পরদিনের পড়াশোনার সুনির্দিষ্ট টার্গেট তৈরি করে ফেলতেন। যতক্ষণ না সে লক্ষ্য পূরণ হতো, ততক্ষণ পড়া থামাতেন না।
২. বিগত বছরের প্রশ্নের সমাধান: বিগত বছরগুলোর প্রশ্নপত্র প্রতিদিন সমাধান করতেন। এতে পরীক্ষার প্রশ্নের ট্রেন্ড বুঝতে সুবিধা হতো।
৩. ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার: বাস বা ট্রেনে যাতায়াতের সময় বা অন্য কোনও কাজের মাঝে খালি সময় পেলে মোবাইল বা ট্যাবলেটে অনলাইন টিউটোরিয়াল ও ডিজিটাল নোটস রিভিশন দিতেন।
৪. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও ধ্যান: টানা ব্যর্থতা ও দীর্ঘ প্রস্তুতির কারণে আসা মানসিক চাপ বা স্ট্রেস সামলাতে প্রতিদিন নিয়ম করে যোগব্যায়াম এবং ধ্যান করতেন।