বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
গত কয়েকদিন ভারতজুড়ে চলা ছাত্র আন্দোলনে সাংবাদিকদের ওপর আন্দোলনকারীদের হামলার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যমকর্মীরা। সোমবার (২৭ জুলাই) কলকাতা প্রেস ক্লাব থেকে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল বের করেন সাংবাদিকরা।
মিছিলটি ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং কাছে গিয়ে মানববন্ধন রূপ নেয়। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা দোষী ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় বামপন্থি, অতি বামপন্থি ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদ মিছিল থেকে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পানির বোতল ও জুতা। এমনকি, অভিযোগ আছে, আন্দোলনকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর শারীরিকভাবেও হামলা চালায়। এতে বেশকিছু গণমাধ্যমকর্মী আহত হন ও তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্বদানকারী ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের কাছে একটি স্মারক লিপি জমা দেয়। সেখানে রাজ্যপালের কাছে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৬ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ‘গুন্ডা দমন আইনে’ মামলা দায়ের করেছে রাজ্য প্রশাসন।
এ বিষয়ে আদর্শ তিতুমীর ও সংবাদ তিতুমীর পত্রিকার সম্পাদক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থনে কলকাতায় যে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়, সেই মিছিলের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমাদের টার্গেট করে নৃশংসভাবে হামলা করা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে আজ পুরো রাজ্য থেকে কলকাতায় এক ঐতিহাসিক মিছিল বেরিয়েছে। মিছিল থেকে আমরা দাবি জানাচ্ছি, গ্রাম বাংলায় তো অনেক সাংবাদিক নিগ্রহের শিকার হন। তাদের ওপর হামলা হলেও যাতে এই ধরনের প্রতিবাদ করা হয়।
মিছিলটি ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং কাছে গিয়ে মানববন্ধন রূপ নেয়। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা দোষী ব্যক্তিদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এর আগে কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় বামপন্থি, অতি বামপন্থি ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিবাদ মিছিল থেকে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পানির বোতল ও জুতা। এমনকি, অভিযোগ আছে, আন্দোলনকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর শারীরিকভাবেও হামলা চালায়। এতে বেশকিছু গণমাধ্যমকর্মী আহত হন ও তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সোমবার (২৭ জুলাই) গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্বদানকারী ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের কাছে একটি স্মারক লিপি জমা দেয়। সেখানে রাজ্যপালের কাছে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থার নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৬ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ‘গুন্ডা দমন আইনে’ মামলা দায়ের করেছে রাজ্য প্রশাসন।
এ বিষয়ে আদর্শ তিতুমীর ও সংবাদ তিতুমীর পত্রিকার সম্পাদক ধৃতরাষ্ট্র দত্ত বলেন, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র সমর্থনে কলকাতায় যে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়, সেই মিছিলের সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমাদের টার্গেট করে নৃশংসভাবে হামলা করা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে আজ পুরো রাজ্য থেকে কলকাতায় এক ঐতিহাসিক মিছিল বেরিয়েছে। মিছিল থেকে আমরা দাবি জানাচ্ছি, গ্রাম বাংলায় তো অনেক সাংবাদিক নিগ্রহের শিকার হন। তাদের ওপর হামলা হলেও যাতে এই ধরনের প্রতিবাদ করা হয়।