Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সরকার পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী

বিজ্ঞাপন

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আরও জোরালো অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, ‘এবার এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে।’ দেশটির সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পথে একটি বড় পদক্ষেপ।’ একই সঙ্গে তিনি দেশজুড়ে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘এখনও দুটি দাবি রয়েছে, যা পূরণ হয়নি। আর তা হলো- শিক্ষার্থী এবং ভারতের ভবিষ্যৎকে সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমা চাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার জন্য দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘সমাজের অন্যান্য অংশ, যাদের এই সরকার দমন ও নিষ্পেষণ করেছে (কৃষক, শ্রমিক, দরিদ্র) তাদের এখন সংবিধানসম্মত উপায়ে সাহস নিয়ে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার সময়। এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে। ভয় পাবেন না!’

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের ঐক্য অটুট রাখা, শিক্ষার্থীদের আইনি জটিলতা থেকে দূরে রাখা এবং তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের স্বার্থ বিবেচনা করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর সংগঠনটি জানায়, সরকার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একদিন সময় চেয়েছে।

অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর যন্তর-মন্তরের সমাবেশে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তকে ধন্যবাদ জানান সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেন, ‘তিনি আমাদের ‘তেলাপোকা’ না বললে এই আন্দোলনের জন্মই হতো না।’

প্রসঙ্গত, গত মে মাসে এক শুনানিতে প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে ঘিরেই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামের এই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। পরে প্রধান বিচারপতি ব্যাখ্যা দেন, মন্তব্যটি বেকার তরুণদের উদ্দেশে নয়, ভুয়া আইন ডিগ্রিধারীদের প্রসঙ্গে করা হয়েছিল। তবে ততদিনে মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং তা আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার