বিজ্ঞাপন
আটলান্টায় আর্জেন্টাইন সাংবাদিককে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:২৩ এএম
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিদের ম্যাচ কাভার করতে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয় আর্জেন্টিনার ক্রীড়া সাংবাদিক, ইনফ্লুয়েন্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মেলিনা মোরিয়াতিসকে। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় যৌন নিপীড়নের থেকে রক্ষা পান মোরিয়াতিস।
৬ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি ইনস্টাগ্রাম অনুসারী থাকা মোরিয়াতিস দাবি করেছেন, সোমবার ভোরে আটলান্টার কমফোর্ট ইন হোটেলে চেক-ইন করতে যাওয়ার সময় এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে শুরু করেন।
তার বর্ণনা অনুযায়ী, বিমানবন্দর থেকে হোটেলে পৌঁছে লবিতে প্রবেশ করার পর ওই ব্যক্তি তার পিছু নেন এবং পরে একই লিফটে ওঠেন। পরিস্থিতির ঝুঁকি বুঝতে পেরে লিফটের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আগেই তিনি দ্রুত বেরিয়ে আসেন এবং হোটেলের রিসেপশনে গিয়ে সাহায্য চান।
ঘটনার পর ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক আবেগঘন ভিডিওতে মোরিয়াতিস বলেন, ‘গত রাতে আমি এখানে আটলান্টায় যৌন নিপীড়নের চেষ্টার শিকার হয়েছি। হয়তো আরও ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারত। কয়েকজন আর্জেন্টাইন আমার জীবন বাঁচিয়েছেন।’
তার এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোরিয়াতিসকে সাহায্য করেন আর্জেন্টিনার সান হুয়ান থেকে বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে আসা চার সমর্থক, গনসালো পেরেজ, হুয়ান ইগনাসিও তুরকাতো, নিকোলাস তোমাসিনি এবং ফ্রান হিদালগো।
মোরিয়াতিস জানান, পুলিশ আসা পর্যন্ত ওই চারজন তাকে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার কাছে আসতে না পারে। স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা প্রায় ৩০ মিনিট ধরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন, এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
মোরিয়াতিস বলেন, ‘আমি এই মানুষগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে চিনতেন না, তবুও নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একজন অপরিচিত মানুষকে রক্ষা করেছেন।’
চার সমর্থকের একজন হুয়ান ইগনাসিও তুরকাতো স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে অত্যন্ত অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখা যায়। তার ভাষায়, ‘লোকটি সম্ভবত মাদকের প্রভাবে ছিল এবং নিজের সঙ্গেই কথা বলছিল। পরিস্থিতি যেন সহিংস না হয়, সেদিকে খেয়াল রেখেই মেলিনাকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করেছি। এমন অবস্থায় থাকা একজন মানুষ কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, তা আগে থেকে বোঝা যায় না।’