Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

ইরানের হামলা করতে বি-১ বোমারু বিমান সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

ইরানের হামলা করতে বি-১ বোমারু বিমান সাজাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বিজ্ঞাপন

ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল সিটিতে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে মার্কিন বিমানবাহিনীর বি-১ বোমারু বিমানে ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা মজুত করছে তারা। একে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণের মতো ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালাতে পেন্টাগনের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিতে অন্তত একটি বি-১ বোমারু বিমানের অস্ত্রভাণ্ডার থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। গতকাল বুধবার ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এ দৃশ দেখা গেছে।

বি-১ বোমারু বিমান আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র শত শত মাইল দূর থেকে নিক্ষেপ করা যায়, যা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পাল্লার অনেক বাইরে থেকেই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম। তবে শক্তিশালী ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলার জন্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র খুব কার্যকর নয়। ইরান যেসব স্থানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত করে, সেগুলো সাধারণত মাটির গভীরে নির্মিত। এদিকে পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পাথরের পাহাড়ের নিচে নির্মিত।

ভিডিওতে দেখা যায়, বি-১ বিমানে জয়েন্ট ডিরেক্ট অ্যাটাক মিউনিশন (জেডিএএম) বোমা লোড করা হচ্ছে। এই বোমা ব্যবহারের জন্য বোমারু বিমানকে লক্ষ্যবস্তুর প্রায় ২৫ মাইলের মধ্যে যেতে হয়। ফলে ইরানের আকাশসীমার বেশ কাছাকাছি যেতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ইঙ্গিত মিলছে যে যুক্তরাষ্ট্র মনে করছে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে।

প্রতিরক্ষা বিষয়ক ডাটাবেস ফ্লাইটগ্লোবাল ওয়ার্ল্ড এয়ার ফোর্স ২০২৬ অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরে বর্তমানে প্রায় ৪০টি বি-১ বোমারু বিমান রয়েছে। তাই যুদ্ধের সময় এ ধরনের একটি বিমান হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

আরেকটি বিষয়ও নজরে পড়েছে। ঘাঁটির বাইরে থেকে সহজেই দেখা যায় এমন জায়গায় এসব বোমা লোড করা হচ্ছিল। অনেকের মতে, এটা একটা বার্তা। মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারের সবচেয়ে শক্তিশালী কিছু অস্ত্র প্রস্তুত রয়েছে, আর সেগুলো থামাতে ইরানের করার মতো খুব বেশি কিছু নাও থাকতে পারে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার