Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মহামূল্য প্যাট্রিয়ট কতটি আছে?

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মহামূল্য প্যাট্রিয়ট কতটি আছে?

বিজ্ঞাপন

যুদ্ধে বহুল আলোচিত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার মজুদ রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। যেটি নিয়ে স্বস্তি ট্রাম্প শিবিরে। তবে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অবস্থাদৃশ্যে মনে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুদেশেরই অস্ত্রের মজুদে টান পড়ছে।

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের সঙ্গে যুক্ত অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন মেরিন কর্নেল মার্ক ক্যানসিয়ান বলছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হাজার হাজার জেডিএএম বোমা আছে, তবে বহুমূল্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ কম। সংঘাতের শুরুর দিকে সেগুলো ব্যবহার করা জরুরি ছিল, যাতে ইরানের জবাবি হামলার ঝুঁকি প্রতিহত করা যায়।

‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্রের চাহিদা খুবই বেশি ছিল – শুধু যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে নয়, তার আরব-মিত্র দেশ এবং ইউক্রেনেরও চাহিদা ছিল। ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী প্রতিটা প্যাট্রিয়ট মিসাইলের দাম পড়ে ৪০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি।

মনে করা হয় যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর প্রায় ৭০০ টির মতো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করতে পারে। ইরানের পক্ষে যদি এখনো ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করার ক্ষমতা থেকে থাকে, তাহলে এ সীমিতসংখ্যক প্যাট্রিয়টের মজুদেও টান পড়বে।

সিএসআইএসের বিশেষজ্ঞ ক্যানশিয়ানের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রায় ১৬০০টি প্যাট্রিয়ট মিসাইল আছে। এই সংখ্যাটা সম্প্রতি কমে এসেছে।

তিনি বলছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি বিমান থেকে ভূমিতে যুদ্ধ ‘দীর্ঘ সময়’ ধরে চালাতে পারে, তাহলে বিমান প্রতিরোধের লড়াই ‘আরও অনিশ্চিত’ হয়ে পড়বে।

ক্যানশিয়ান বলেন, যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্যাট্রিয়টের সংখ্যা আরও কমিয়ে ফেলতে চান, তাহলে আমার মতে ইরানিদের পরাস্ত করতে পারব আমরা – তবে সেক্ষেত্রে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যদি কোনো সংঘাত তৈরি হয়, তখন সমস্যা তৈরি হবে।

অস্ত্রের মজুত নিয়ে যে একটা চিন্তা আছে, সেটা স্পষ্ট। কারণ ট্রাম্প এ সপ্তাহের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জোর দিয়ে বলেছেন, ‘ইরান আমাদের বিরুদ্ধে টিকতে পারবে না’।

অস্ত্রের দিক থেকে এই কথাটা তিনি সম্ভবত ঠিকই বলেছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার