বিজ্ঞাপন
ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
বিজ্ঞাপন
ইরানের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের প্রথম চার দিনেই বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সেখানে থাকা মার্কিন রাডার সিস্টেম এএন/এফপিএস-১৩২ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-রুওয়াইস শিল্প এলাকায় স্থাপিত অত্যাধুনিক থাড অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল সিস্টেমের এএন/টিপিওয়াই-২ রাডার ধ্বংসের দাবি করেছে ইরান। উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণেও সেখানে হামলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই রাডারটি মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
রবিবার কুয়েতে তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। কুয়েতি আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ভুলবশত এগুলো ভূপাতিত করে। এতে ৬ জন ক্রু সদস্য প্রাণে বাঁচলেও প্রায় ২৮২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের তিনটি বিমানই বিধ্বস্ত হয়েছে।
বাহরাইনের মানামায় মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সদর দফতরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে ২০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের দুটি স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন টার্মিনাল (এএন/জিএসসি-৫২বি) ধ্বংস হয়েছে।
ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের এসব হামলা কুয়েতের আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি, এরবিল বিমানবন্দর, জেবেল আলি বন্দর এবং রিয়াদ ও দুবাইয়ের মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কুয়েতের আরিফজান ক্যাম্পে হামলায় ৬ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসের ভেতরে থাকা সিআইএ স্টেশনেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞাপন