Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

আন্তর্জাতিক

২০২৬ সালে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কা কতটা, জানাল মার্কিন থিংকট্যাঙ্ক

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:০৪ এএম

২০২৬ সালে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কা কতটা, জানাল মার্কিন থিংকট্যাঙ্ক

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের থিংক ট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনস-এর (সিএফআর) সাম্প্রতিক বিশ্লেষণী প্রতিবেদন বলছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কা ‘মাঝারি।’ বাংলাদেশে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সহিংসতাকে এই শঙ্কার নেপথ্যে বড় কারণ হিসেবে দেখিয়েছে সংস্থাটি।

যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করে সিএফআর। সম্প্রতি ‘প্রিভেন্টিভ প্রায়োরিটিজ সার্ভে ২০২৬’ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের হিসেবে বিশ্বজুড়ে সম্ভাব্য সব সংঘাতকে দুটি বিবেচনার ভিত্তিতে তিনটি শ্রেণিতে আলাদা করে রাখা হয়েছে। বিবেচনার ভিত্তি দুটি হলো – এক. যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের ওপর এই সম্ভাব্য সংঘাতের প্রভাব, ও দুই. সংঘাতের সম্ভাবনা। শ্রেণি বা ক্যাটাগরি তিনটি হলো – টায়ার ওয়ান, টায়ার টু ও টায়ার থ্রি।

বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কাকে তারা ‘টায়ার থ্রি’ ক্যাটাগরিতে ফেলেছে।

বাংলাদেশকে 'টায়ার থ্রি'-তে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশকে 'টায়ার থ্রি'-তে রাখা হয়েছে। 

টায়ার থ্রি-তে পড়ছে কোনগুলো? প্রতিবেদনে যে ‘রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ম্যাট্রিক্স’ ব্যবহার করেছে সিএফআর, সেখানে দেখা যাচ্ছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব মাঝারি কিন্তু সম্ভাবনা কম’, ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব কম কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি’ ও ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে প্রভাব কম, সম্ভাবনাও কম’ – এই তিন ধরনের সংঘাতকেই টায়ার থ্রি-তে রাখা হয়েছে। বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কার ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এই সংঘাতের প্রভাব কম, কিন্তু সম্ভাবনা মাঝারি।

তবে বাংলাদেশে সংঘাতের শঙ্কার বিবরণে বলা হয়েছে, ‘এই সংঘাতের কারণে গুরুতর বা বৃহৎ মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে।’

সিএফআর-এর প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ম্যাট্রিক্স।

সংঘাতের শঙ্কার পেছনে কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক সংঘাত। ক্রমেই দুর্বল হতে থাকা শাসনব্যবস্থা এবং জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত করার কারণে বাংলাদেশে অস্থিরতা আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার