বিজ্ঞাপন
‘উনি আমার শাশুড়ি’, পপির মায়ের মৃত্যুতে যা বললেন ওমর সানী
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপির মা মরিয়ম বেগমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে মরিয়ম বেগমকে নিজের শাশুড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে প্রয়াত এই নারীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি প্রিয়জনদের হারানোর বেদনাও তুলে ধরেছেন অভিনেতা।
ওমর সানী লিখেছেন, ‘মৌসুমী আর পপি ফার্স্ট কাজিন, সেই সূত্র ধরে পপির মাও আমার আমার শাশুড়ি। ৯৭ থেকে তাকে আমি সব সময় আম্মা বলে ডাকতাম, উনি চলে গেলেন পৃথিবীর মায়া ছেড়ে। আল্লাহ জান্নাত নসিব করুন। ক্রমাগত ভাবে মুরুব্বীদেরকে হারাচ্ছি তারপর আমার যাওয়ার পালা।’
পোস্টের সঙ্গে পপি ও তার মায়ের একটি ছবিও প্রকাশ করেছেন ওমর সানী। তার এই শোকবার্তায় মরিয়ম বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। পাশাপাশি একের পর এক মুরুব্বিকে হারানোর কষ্টও প্রকাশ করেছেন তিনি।
মরিয়ম বেগম মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগ ও বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর দিবাগত রাতে রাজধানীর গুলশানের নিকেতনে নিজের বাসায় স্ট্রোক করেন মরিয়ম বেগম। পরে রাত পৌনে ২টার দিকে তাকে মগবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এর মধ্যেই রাত দেড়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
চলচ্চিত্র পরিচালক বদিউল আলম খোকন মরিয়ম বেগমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকায় প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে খুলনায় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।
একসময় ঢাকাই সিনেমায় নিয়মিত অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছিলেন চিত্রনায়িকা পপি। বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে দর্শকদের কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে অভিনয় ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রয়েছেন এই অভিনেত্রী।
পপির মায়ের মৃত্যুতে ওমর সানীর শোকবার্তা দুই পরিবারের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি সামনে এনেছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া তার লেখায় প্রিয়জন হারানোর শোক ও জীবনের অনিবার্য পরিণতি নিয়ে ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে।