Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

বিবাহিত হয়েও ৩৫ বছর আলাদা, মুখ খুললেন ছেলে

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম

বিবাহিত হয়েও ৩৫ বছর আলাদা, মুখ খুললেন ছেলে

বিজ্ঞাপন

ডিভোর্স হয়নি, তবুও আলাদা থাকতেন নানা বলিউডের অভিনেতা নানা পাটেকর ও তার স্ত্রী নীলকণ্ঠী। যদিও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। কেমন ছিল নানা পাটেকর ও তার স্ত্রীর সম্পর্ক? এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন তাদের ছেলে।

প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকরের বিচ্ছিন্ন (separated) স্ত্রী নীলকণ্ঠী পাটেকর তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় উপস্থিত ছিলেন। এই দম্পতি ১৯৭৮ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের দুর্বাসা ও মালহার নামে দুই পুত্র রয়েছে। দুর্বাসা খুব কম বয়সেই মারা যায়। নানা ও তার স্ত্রী আইনত বিবাহবিচ্ছেদ না করেই ৩৫ বছর আলাদাভাবে বসবাস করেছেন। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাদের ছেলে চলচ্চিত্র নির্মাতা মালহার পাটেকর তার বাবার শেষ মুহূর্তগুলো নিয়ে মুখ খুলেছেন এবং আইনত বিবাহিত থাকা সত্ত্বেও কেন তার বাবা-মা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তা প্রকাশ করেছেন।

এক সাক্ষাৎকারে মালহার তার বাবাকে হারানোর দিনটির কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘নানা জি গোয়ায় ছিলেন, এবং আমার খুড়তুতো ভাই প্রসাদ, যে তার সমস্ত বিনোদন-সংক্রান্ত দিক দেখভাল করত, তাকে নানা মুম্বই পাঠিয়ে দেন , কারণ একদিন পরেই মাধুরী জি (দীক্ষিত)-এর সঙ্গে তার কেবিসি মারাঠির শুটিং ছিল। এছাড়া, আমার আরেক ভাই, অময়, তাকে বাড়িতে পৌঁছে রওনা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘নানাজি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি কখনও কাউকে বিরক্ত করতেন না। তাই, যখন তার অস্বস্তি হতো, তিনি শুধু তাকে (আময়কে) মেসেজ পাঠাতেন এবং কিছুক্ষণ পর ফোন করতেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই পৌঁছে গিয়েছিলেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। আমি যখন পুনেতে ছিলাম, তখন ভোর ৫টার দিকে আমার মায়ের কাছ থেকে একটা ফোন আসে। তারপর কী হলো, কিছুই মনে নেই। আমার মনে হলো চারপাশের পৃথিবীটা যেন থেমে গেছে।’

তার পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা-কল্পনার জবাবে মালহার পাটেকর বলেন যে, তার বাবা-মা আলাদা থাকা সত্ত্বেও আবেগগতভাবে যুক্ত ছিলেন এবং যারা সোশ্যাল মিডিয়ার বাহ্যিক রূপ দেখে তাদের সম্পর্কের বিচার করছেন, তিনি তাদের সমালোচনা করেন। বলেন, ‘ছোটবেলায় আমি আমার বাবা-মায়ের কাছ থেকে অনেক শক্তি ও সহনশীলতা পেয়েছি। এছাড়াও, বাইরে থেকে লোকেদের কাছে ব্যাপারটা কেমন দেখায় তা আমার কাছে কোনো ব্যাপার না, বাস্তবে, আমরা পরিবার হিসেবে একে অপরের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে এবং আবেগগতভাবে যুক্ত ছিলাম, এমনকি আমার কাকা এবং খুড়তুতো ভাইবোনেরাও আমাদের সঙ্গে জুড়ে রয়েছেন। আমি সবসময় সবার ভালোবাসা পেয়েছি এবং সেটাই আসল।’

চলচ্চিত্র নির্মাতা আরও বলেন, ‘এত কিছু ভাইরাল হচ্ছে, তাতে কী ভুল! আমরা ইন্সটাগ্রামে পারিবারিক ছবি শেয়ার করি না বলেই যে আমাদের মধ্যে বন্ধন নেই, তা কিন্তু নয়। আলাদা হয়ে যাওয়ার পরেও আমার বাবা-মায়ের সম্পর্ক ভালো ছিল। ৩৮-৩৯ বছরের বন্ধন ছিল, আর সবকিছু বাইরে থেকে যেমনটা মনে হয়, আসলে তেমনটা নয়… আমি তার সম্পর্কে যা পড়েছি, তাতে বলা হয়েছে যে তিনি একা ছিলেন না, কখনও ছিলেনও না, আর তিনি অসুস্থও ছিলেন না কারণ আমরা কেউই তার পাশ থেকে সরিনি, আমাদের মধ্যে কেউ না কেউ সবসময় তার সঙ্গে থাকত। তিনি খুব সক্রিয় ছিলেন এবং জিমে আড়াই ঘণ্টা ধরে ওয়ার্কআউট করতেন, তরুণরাও তা করতে পারত না, ফিটনেসের দিক থেকে তিনি এমনই ছিলেন।’ 

সূত্র: নিউজ১৮

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার