Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

সাবিলার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, বিয়ে ভাঙল সেই ডিওপির!

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ পিএম

সাবিলার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, বিয়ে ভাঙল সেই ডিওপির!

বিজ্ঞাপন

অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তার স্বামী নেহাল সুনন্দ তাহেরের দীর্ঘদিনের সংসারে দাম্পত্য টানাপড়েনের গুঞ্জন শোবিজে টক অব দ্য টাউন। দীর্ঘ ৭ বছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন।

তবে শোবিজ অঙ্গনে কান পাতলে এখন শোনা যাচ্ছে- তাদের বিচ্ছেদ এখন সময়ের ব্যাপার!

জানা গেছে, সাবিলা নূরের ব্যক্তিগত জীবনের এই ঝড়ের পেছনে রয়েছে একজন ডিরেক্টর অব ফটোগ্রাফি (ডিওপি)। সাবিলা অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার সেট থেকেই নাকি ডিওপি আবদুল মামুনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার শুরু।

কাজের সূত্র ধরে শুরু হওয়া সেই পেশাগত সম্পর্ক দ্রুতই রূপ নেয় ব্যক্তিগত ভালোবাসায়। আর এই নতুন সম্পর্কের জের ধরেই সাবিলার পারিবারিক জীবনে তৈরি হয়েছে বড় দূরত্ব।

সাবিলার এই নতুন প্রেমের প্রভাব শুধু তার নিজের জীবনেই নয়। জানা গেছে, সাবিলা যে ডিওপির সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছেন, তার সঙ্গে তিশা নামের এক তরুণীর দীর্ঘ ৭ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

তিশা ও সেই ডিওপির বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিনেত্রীর সঙ্গে ডিওপির প্রেমে জড়িয়ে গেলে শেষ মুহূর্তে এসে তিশার সেই বিয়ে এবং ৭ বছরের দীর্ঘ ভালোবাসার সম্পর্কটি পুরোপুরি ভেঙে যায়, যা নিয়ে রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন সহকারী পরিচালক থেকে প্রযোজক বনে যাওয়া তিশা।

এই মূহূর্তে কঠিন সময় পার করছেন জানিয়ে তিশা বলেন, ‘যা শুনেছেন সব সত্য। সাবিলা নূরের কারণেই আমার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম এবং বিয়ে ভেঙে গেছে। ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং শেষ হওয়ার ৫ দিন পর আমাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। মে মাসের ১৫ তারিখ আমাদের বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছিল। দুই পরিবার থেকে বিয়ের সব আয়োজন করা হয়। কিন্তু মাসের ৫ তারিখের দিকে আবদুল মামুন হঠাৎ করে আমাকে বলে সে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। কেন চাচ্ছে না অনেক জানার চেষ্টা করেও জানতে পারিনি। পরবর্তীতে জানতে পারি সাবিলা নূরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কে জড়িয়েছে। ১২ তারিখ আবার জানায় কোনোভাবেই সে আমাকে বিয়ে করতে পারবে না। আমার পরিবার মামুনকে অনেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা ব্যর্থ হয়। আমার ভালোবাসাও হেরে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাবিলা নূরের সঙ্গে মামুন ভালোভাবেই জড়িয়ে গেছে। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। এসব জানার পর থেকে মামুনের সঙ্গে আমার যোগাযোগ বন্ধ। সাবিলার বন্ধুমহল ও মিডিয়ার অনেকেই এ বিষয়ে জানে। ওরা দুজন আমার সঙ্গে কাজটি ভালো করেনি। সাবিলা নূর আমাদের বিষয় সব জানতেন। কিন্তু সে মেয়ে হয়েও একটিবার আরেকটি মেয়ের কথা ভাবেনি। আমার বড় ক্ষতি করল। আবদুল মামুন একজন তারকা পেয়ে আমাকে ভুলে গেছে। এখন হয়তো তার ক্যারিয়ার আরও বড় হবে। কিন্তু আমার সুন্দর ভালোবাসার মূল্য দিল না।’

দুজনের ক্যারিয়ার একসঙ্গে শুরু হয়েছিল জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের বিয়ে আরও আগেই করার কথা ছিল। কিন্তু ‘রকস্টার’ সিনেমার কারণে তা পেছানো হয়। কারণ, সবসময় ভালো সুযোগ আসে না। শাকিব খান একজন বড় তারকা, তার কাজ সবাই পায় না। সেই দিক চিন্তা করে আমিই বিয়ে পেছাতে বলি। সেটিই আমার জীবনে কাল হয়ে গেছে। আমি সাধারণ পরিবারের একজন মেয়ে। দিনশেষে মানুষ আমাকেই দোষারোপ করবে কারণ, আমি মেয়ে। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই। আমি কী হারিয়েছি সেটা শুধু আমিই জানি। পরিবার আইনিভাবে ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিল কিন্তু আমি সেটা করতে দেইনি। ওই মানুষটা একটা আঘাত পাক তা চাইনি।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই বিচ্ছেদ ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের খবর নিয়ে তুমুল চর্চা চললেও সাবিলা নূর, নেহাল তাহের কিংবা আবদুল মামুন কেউই এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।

এদিকে, সাবিলার সংসার ভাঙার খবর সামনে আসতেই আলোচনায় আসেন শাকিব খান। তাদের অভিনীত ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং সেটে শাকিবের সঙ্গে সাবিলার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং এর জের ধরেই নাকি স্বামী নেহালের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়- এমনটাই দাবি করা হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

তবে পরবর্তীতে জানা যায়, শাকিব খানের সঙ্গে পর্দায় ধামাকা রোমান্স থাকলেও সাবিলার সংসার ভাঙার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ডিওপি আবদুল মামুনের। শাকিব খানকে জড়িয়ে ওঠা এই পুরো গুঞ্জনটির কোনো সত্যতা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। 

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার