Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেননা বড় কোনও তারকা

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম

মৃত্যুর ৪ দিন পর দাফন, নাসিমা খানের জানাজায় ছিলেননা বড় কোনও তারকা

বিজ্ঞাপন

মৃত্যুর ৪ দিন পর হয়েছে দাফন। বিএফডিসিতে আনা হয়নি মরদেহ। জানাজায় উপস্থিতি ছিল না বড় কোনও তারকার। বলছি চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নাসিমা খানের কথা। গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ইন্তেকাল করেন চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুর পুরাতন কবরস্থান মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ২টার দিকে ওই কবরস্থানেই তাকে দাফন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সনি রহমান, অভিনেতা আরজু ও অভিনেত্রীর বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

নাসিমা খানের দুই ছেলে শাবাব নাসিম রহমান ও নাবিল নাছির রহমান কুশল। গত ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের নিরিবিলি স্বপ্নবিলাস এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় ছোট ছেলে। মৃত্যুর আগে অভিনেত্রী বেশ কয়েকবার ছেলের সন্ধান চেয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন।

বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। দুই ছেলের ফেরার অপেক্ষায় ৪ দিন নাসিমা খানের মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়। বড় ছেলে ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ফেরেনি ছোট ছেলে কুশল।

শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক সনি রহমান বলেন, ‘নাসিমা খানের দুই ছেলের অপেক্ষায় তার মরদেহ হিমঘরে রাখা হয়। কিন্তু বড় ছেলে ফিরলেও দেখা মেলেনি ছোট ছেলের। এছাড়া আমাদের সিনেমার বড় কোনও তারকাও তার জানাজায় অংশ নেননি। আমি চেষ্টা করেছি সবাইকে নিয়মিত আপডেট জানানোর। এখন কেউ যদি নিজ থেকে না আসে তাহলে আর কী করার থাকতে পারে।’

‘জেলার ২’-এর শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, রজনীকান্তকে কেন ভয় পেলেন বিদ্যা‘জেলার ২’-এর শুটিংয়ে কী ঘটেছিল, রজনীকান্তকে কেন ভয় পেলেন বিদ্যা

নাসিমা খানের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার মাধ্যমে। ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে পরিচিতি পান তিনি।

ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে দাপটের সঙ্গে অভিনয় করেছেন এই অভিনেত্রী। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। সর্বশেষ ২০১১ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ সিনেমায় দেখা যায় তাকে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার