Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মধু কাম্বিকর মারা গেছেন

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম

ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মধু কাম্বিকর মারা গেছেন

বিজ্ঞাপন

ভারতের মারাঠি চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী ও ঐতিহ্যবাহী নৃত্যশিল্পী মধু কাম্বিকর মারা গেছেন। সোমবার (১২ অক্টোবর) পুনেতে ৭৩ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।

মহারাষ্ট্রের তথ্য ও জনসংযোগ অধিদপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মধু কাম্বিকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। এতে বলা হয়, অভিনয় ও বহুমুখী শিল্পচর্চার মাধ্যমে মহারাষ্ট্রের লোকশিল্পের ঐতিহ্য ধরে রেখে চলচ্চিত্রে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন তিনি।

শোকবার্তায় বলা হয়, লোকশিল্প ও মঞ্চনাটক থেকে চলচ্চিত্র পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল মধু কাম্বিকরের শিল্পীজীবন। লোকশিল্পে ঐতিহ্যবাহী লাভণী নৃত্যশৈলী ধরে রাখার পাশাপাশি কথক নৃত্য শেখার মধ্য দিয়ে নৃত্যশিল্পী হিসেবেও প্রশংসা অর্জন করেন তিনি। মারাঠি লোকশিল্পের ঐতিহ্য চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে ধরেছিলেন এই বহুমুখী প্রতিভার শিল্পী।

মধু কাম্বিকরের মৃত্যুতে তর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

মধু কাম্বিকরের শিল্পীজীবন

১৯৫৩ সালের ২৮ জুলাই মহারাষ্ট্রের বীড জেলার মালেগাঁও খুর্দে জন্মগ্রহণ করেন মধু কাম্বিকর। লাভণী নৃত্যে পারদর্শিতার পাশাপাশি মারাঠি চলচ্চিত্রে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন তিনি।

‘হেচ মাজহা মাহের’, ‘রঘু মাইনা’, ‘এক হোতা বিদূষক’, ‘ঝাপাটলেলা’, ‘দেবু’ ও ‘ইয়েউ কা ঘরাত’ তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি মঞ্চনাটক ও টেলিভিশন অনুষ্ঠানেও অভিনয় করেছেন তিনি।

পর্দায় মা ও শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন মধু। তবে জীবনের শেষদিকে অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।

২০১৬ সালের নভেম্বরে মুম্বাইয়ে ‘লাবণ্য সংগীত’ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। টানা ১২ বছর ধরে ওই অনুষ্ঠানে পরিবেশনা করে আসছিলেন তিনি। অসুস্থ বোধ করলেও সেদিন পরিবেশনা থেকে সরে দাঁড়াতে চাননি। পরে তার স্ট্রোক হয় এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্ট্রোকের পর চলচ্চিত্র থেকে দূরে সরে যান মধু কাম্বিকর। ‘আভ্রাণ’ তার শেষদিকের চলচ্চিত্রগুলোর একটি। শিল্পক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি রাজ্য পর্যায়ের পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার