Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

অন্তরঙ্গ দৃশ্য করতে না চাওয়ায় কী ঘটেছিল অভিনেত্রীর সঙ্গে

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম

অন্তরঙ্গ দৃশ্য করতে না চাওয়ায় কী ঘটেছিল অভিনেত্রীর সঙ্গে

বিজ্ঞাপন

পর্দায় চুম্বন কিংবা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না সিঙ্গাপুরের অভিনেত্রী রুই এন। ধর্ষণের দৃশ্যেও রয়েছে তার আপত্তি।

ক্যারিয়ারের শুরুতেই নিজের এই অবস্থান প্রযোজকদের জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত সীমারেখা মেনে চলার সিদ্ধান্তের কারণে পেশাগত জীবনে নেতিবাচক মন্তব্যের মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, একই ধরনের শর্ত রাখা পুরুষ শিল্পীদের তুলনায় নারী হওয়ায় তাকেই বেশি সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছে।

ইউটিউবার এইকেন চিয়ার ‘হার্ট টু হার্ট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রুই এন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিনোদনজগতে কাজ করা এই অভিনেত্রী জানান, চুম্বন ও অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করা নিয়ে তার অস্বস্তি দীর্ঘদিনের।

তাই এমন দৃশ্য রয়েছে, এমন চরিত্র এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রয়োজনে চিত্রনাট্য থেকে দৃশ্য বাদ দেওয়া কিংবা ভিন্নভাবে ধারণ করার অনুরোধও জানাতেন প্রযোজকদের।

তবে নিজের অবস্থানে অনড় থাকায় তাকে ‘ডিফিকাল্ট’, ‘ডিমান্ডিং’ ও ‘ডিভা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান রুই এন। তার ভাষ্য, একই ধরনের শর্ত দেওয়া জ্যেষ্ঠ পুরুষ অভিনয়শিল্পী থাকলেও তাঁদের ক্ষেত্রে এমন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

পর্দায় নারী চরিত্রের কষ্ট ও নির্যাতন দেখানোর প্রচলিত ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী। তার মতে, কোনো নারী চরিত্রের প্রতি দর্শকের সহানুভূতি তৈরি করতে বারবার তার ট্রমা তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভাবা উচিত।

বাস্তব জীবনে মানুষের জন্য বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতাকে বিনোদনের উপাদান হিসেবে অতিরঞ্জিত করার পক্ষপাতী নন তিনি।

২০১১ সালেও নিজের অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছিলেন রুই এন। সে সময় এমন শর্ত বজায় রাখলে তার ক্যারিয়ার এগোবে না- এমন মন্তব্যও শুনতে হয়েছিল তাকে।

মডেলিং দিয়ে ১৮ বছর বয়সে কর্মজীবন শুরু করেন রুই এন। ২০২১ সালে ব্যবস্থাপনা সংস্থা ছেড়ে স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করেন তিনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তার উদ্দেশ্য, নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে অন্যদের একাকিত্ব কমাতে সহায়তা করা।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার