Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

বিনোদন

নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর শুনেই বিস্ফোরক মন্তব্য তনুশ্রীর, সামনে আনলেন অতীতের সেই ঘটনা

Icon

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৫ পিএম

নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর শুনেই বিস্ফোরক মন্তব্য তনুশ্রীর, সামনে আনলেন অতীতের সেই ঘটনা

বিজ্ঞাপন

এক সময়ে ভারতজুড়ে উত্তাল হয়েছিল ‘মিটু’ অভিযোগে। প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে শুটিংয়ে অশালীন আচরণের অভিযোগ এনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গোয়ায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৫ বছর বয়সে মারা যান নানা পাটেকর। অভিনেতার মৃত্যুর পর তনুশ্রীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে চারদিকে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

২০০৯ সালের ‘হর্ন ‘ওক’ প্লিজ়’ সিনেমার শুটিং সেটে যৌন হেনস্তা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে মুখ খুলে ভারতে ‘মিটু’ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স তনুশ্রী দত্ত।

লখনৌয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পথে নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর পান তনুশ্রী। সে সময় তিনি জানান, ঠিক যে দিন সন্ধ্যায় তিনি একটি জনবহুল অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছেন, ঠিক সেই অদ্ভুত দিনেই নানা পাটেকরের মৃত্যু হয়েছে। তার মতে, সংবাদমাধ্যম এখন শুধু এই মৃত্যু নিয়ে তার মন্তব্য জানতে আগ্রহী হবে।

আরও পড়ুন
শুরুতে কিছুটা রাখঢাক রাখলেও পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তনুশ্রী। নানা পাটেকরের নাম সরাসরি উচ্চারণ না করে তিনি বলেন, ‘খবরটা শুনলাম। যিনি চলে গেছেন, চলে গেছেন। তবে এমন একটা দিনে এই ঘটনাটা সত্যিই খুব অদ্ভুত। আজকের দিনটি আমার লখনৌয়ের অনুষ্ঠান এবং তা সফল করার জন্য। শয়তানের মৃত্যু হলো—এটাই বলব।’

নানা পাটেকর বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন এবং তনুশ্রীকে আইনি নোটিশও পাঠিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে পুলিশ পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে নানা পাটেকরকে সমস্ত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়। তবে এই রায়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না তনুশ্রী।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তনুশ্রী দত্ত দাবি করেন, নানা পাটেকর মামলাটি জোর করে বন্ধ করিয়ে দিয়েছিলেন এবং তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হননি।

আরও পড়ুন
গত পাঁচ বছরের বঞ্চনা ও মানসিক চাপের কথা স্মরণ করে তনুশ্রী বলেন, ‘মিটু’র পর তাকে যে পরিমাণ হয়রানির শিকার হতে হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে ক্রমাগত চাপ ও ঘুসের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তনুশ্রীর ভাষ্য, ‘এমন নয় যে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত প্রমাণ ছিল না। ঠিক যে দিন আমাদের প্রধান সাক্ষীর (যিনি আমার মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন) সাক্ষ্য আদালতে জমা দেওয়ার কথা ছিল, বিচারক সেদিনই মামলাটি বন্ধ করে দেন। তাকে রাজি করাতে আমাদের পাঁচ বছর সময় লেগেছিল। তিনি ও তার পরিবার নানাভাবে হুমকি পেতেন।’

আরও পড়ুন
নানা পাটেকরকে ‘অহংকারী’ আখ্যা দিয়ে তনুশ্রী আরও বলেন, ‘তিনি থামছিলেন না। ঈশ্বর নিজেই তার জীবন শেষ করে দিয়েছেন। যা সত্য, তা-ই সত্য।’

এদিকে পুনেতে নানা পাটেকরের নিজ খামারবাড়িতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার আগেই তনুশ্রী দত্তের এসব মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার