বিজ্ঞাপন
নজরুলের সঙ্গে ছবি ভাইরাল, খোলা চিঠিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন স্নিগ্ধা
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
বিজ্ঞাপন
আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে আলোচনায় এসেছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। তিনি এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন।
সেখানে জানান, নির্যাতনের মাত্রা এতোই বেশি ছিলো যে প্রাণে বাঁচতে আশিয়ান হাসপাতালের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দিয়েছিলেন। তাকে প্রায় ৬০ বার লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিলো।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি গণমাধ্যমকর্মী, সহকর্মী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে স্নিগ্ধা লেখেন, জীবনের এই কঠিন সময়ে যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। নির্যাতনের শারীরিক ক্ষত একসময় সেরে উঠলেও মানসিকভাবে তিনি এখনও ভীষণ ভেঙে পড়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েই সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে হয়েছিল। সেখানে বলা কোনো বক্তব্যের মাধ্যমে কাউকে অসম্মান বা ছোট করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। যদি কোনো সহকর্মী বা মডেলিং অঙ্গনের কেউ তার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পোস্টে স্নিগ্ধা দাবি করেন, তিনি ন্যায়বিচার চান, যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো মেয়েকে একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। দেশের নারীদের কাছে দোয়া ও পাশে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, তাকে পানীয়ের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে জোরপূর্বক খাওয়ানো হয়েছিল। এ কারণে এখনও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। এছাড়া তাকে লাঠি দিয়ে প্রায় ৬০ বার আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
স্নিগ্ধার ভাষ্য, প্রাণ বাঁচাতে তিনি আশিয়ান মেডিক্যাল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দেন। মায়ের দোয়া ও ভাগ্যের জোরে তিনি বেঁচে ফিরেছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
চিঠির শেষাংশে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে তার সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠা। সুস্থ হয়ে আবারও নিজের কর্মজীবনে ফিরতে চান বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে সম্প্রতি মামলা করেছেন স্নিগ্ধা চৌধুরী। এরই মধ্যে চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে ভাইরাল ছবির প্রেক্ষাপট নিয়ে উভয় পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করা হয়েছে এবং অভিযোগগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সেখানে জানান, নির্যাতনের মাত্রা এতোই বেশি ছিলো যে প্রাণে বাঁচতে আশিয়ান হাসপাতালের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দিয়েছিলেন। তাকে প্রায় ৬০ বার লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিলো।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি গণমাধ্যমকর্মী, সহকর্মী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি নিজের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথাও তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে স্নিগ্ধা লেখেন, জীবনের এই কঠিন সময়ে যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। নির্যাতনের শারীরিক ক্ষত একসময় সেরে উঠলেও মানসিকভাবে তিনি এখনও ভীষণ ভেঙে পড়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়েই সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে হয়েছিল। সেখানে বলা কোনো বক্তব্যের মাধ্যমে কাউকে অসম্মান বা ছোট করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। যদি কোনো সহকর্মী বা মডেলিং অঙ্গনের কেউ তার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
পোস্টে স্নিগ্ধা দাবি করেন, তিনি ন্যায়বিচার চান, যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো মেয়েকে একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়। দেশের নারীদের কাছে দোয়া ও পাশে থাকার আহ্বানও জানান তিনি।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, তাকে পানীয়ের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে জোরপূর্বক খাওয়ানো হয়েছিল। এ কারণে এখনও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। এছাড়া তাকে লাঠি দিয়ে প্রায় ৬০ বার আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
স্নিগ্ধার ভাষ্য, প্রাণ বাঁচাতে তিনি আশিয়ান মেডিক্যাল ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ দেন। মায়ের দোয়া ও ভাগ্যের জোরে তিনি বেঁচে ফিরেছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
চিঠির শেষাংশে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে তার সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠা। সুস্থ হয়ে আবারও নিজের কর্মজীবনে ফিরতে চান বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে সম্প্রতি মামলা করেছেন স্নিগ্ধা চৌধুরী। এরই মধ্যে চেয়ারম্যানের সঙ্গে তার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে ভাইরাল ছবির প্রেক্ষাপট নিয়ে উভয় পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করা হয়েছে এবং অভিযোগগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।