বিজ্ঞাপন
‘আমি কিন্তু সবার সঙ্গে হাত মেলাই না’, কেন এমন বললেন রুনা লায়লা?
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার একক সংগীতানুষ্ঠান ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাব’ ছিল গান, স্মৃতি আর আবেগে ভরপুর। তবে অনুষ্ঠানের শেষদিকে তার একটি রসিক মন্তব্য মুহূর্তেই হাসির রোল ফেলে দেয় পুরো মিলনায়তনে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় রুনা লায়লার বহুল প্রতীক্ষিত একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রকর আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে আফজাল হোসেনকে মঞ্চে ডেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘আপনি আপনার ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে এসেছেন, এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এরপর আফজাল হোসেনের সঙ্গে করমর্দন করে রসিকতার ছলে বলেন, ‘আমি কিন্তু সবার সঙ্গে হাত মেলাই না। কারণটা জেনে নেন-আংটিগুলো আছে না, এগুলো যদি হুট করে কেউ নিয়ে নেয়!’
রুনা লায়লার এমন মন্তব্যে পুরো মিলনায়তন হাসিতে ফেটে পড়ে। এরপর তিনি আরও যোগ করেন, ‘কিন্তু উনি (আফজাল হোসেন) তো নিরাপদ।’ তার এই স্বতঃস্ফূর্ত রসবোধ দর্শকদেরও দারুণভাবে আনন্দ দেয়।
রুনা লায়লার হাতে থাকা হীরার আংটির সংগ্রহ নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। জানা যায়, মাত্র ১৫ বছর বয়সে করাচিতে মা আমিনা লায়লার কাছ থেকে পাওয়া একটি ডায়মন্ডের আংটি দিয়েই তার সংগ্রহের শুরু। পরে সংগীতজীবনের বিভিন্ন সময়ে নিজের পছন্দে আরও অনেক হীরার আংটি সংগ্রহ করেন তিনি। মঞ্চে তার পরিবেশনার পাশাপাশি হাতে থাকা বাহারি আংটিগুলোও বরাবরই দর্শকের নজর কেড়েছে।
রুনা লায়লার কথার পর স্মৃতিচারণ করেন আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবনের বিস্ময়গুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন, যারা আজও বিস্ময় হয়েই রয়ে গেছেন।’
বাংলাদেশ টেলিভিশনের শুরুর দিনের একটি স্মৃতি তুলে ধরে আফজাল হোসেন বলেন, অভিনয়ের শুরুতে একদিন স্টুডিও থেকে বের হওয়ার সময় দূর থেকে প্রথমবার রুনা লায়লাকে দেখেছিলেন তিনি। সেই মুহূর্তের অনুভূতি আজও তার মনে গেঁথে আছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে অনেক তারকারই জৌলুস কমে যায়। কিন্তু রুনা লায়লা নিজেকে এমনভাবে ধরে রেখেছেন যে, চার দশক আগে যেমন তারকাদীপ্ত ছিলেন, আজও ঠিক তেমনই আছেন। তিনি সত্যিকার অর্থেই আকাশের তারকা।’
রুনা লায়লার এই একক সংগীতানুষ্ঠান ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭০০ আসনের জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায় প্রথম দিনেই। সন্ধ্যায় দেশাত্মবোধক গান ‘দেশের জন্য যারা’ দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন তিনি। এরপর একে একে পরিবেশন করেন ‘শিল্পী আমি’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘গানেরই খাতায়’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘আমায় গেঁথে দাও না’, ‘বন্ধু তিন দিন’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’, ‘সাধের লাউ’ এবং প্রথমবারের মতো মঞ্চে নজরুলসংগীত ‘ভুলিতে পারি না’।
সবশেষে দর্শকদের বিশেষ অনুরোধে ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় স্মরণীয় এই সংগীতসন্ধ্যা। প্রতিটি গানের পর করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে মিলনায়তন, যা আবারও প্রমাণ করে-প্রজন্ম বদলালেও রুনা লায়লার গানের আবেদন আজও অমলিন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় রুনা লায়লার বহুল প্রতীক্ষিত একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রকর আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে আফজাল হোসেনকে মঞ্চে ডেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘আপনি আপনার ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে এসেছেন, এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’
এরপর আফজাল হোসেনের সঙ্গে করমর্দন করে রসিকতার ছলে বলেন, ‘আমি কিন্তু সবার সঙ্গে হাত মেলাই না। কারণটা জেনে নেন-আংটিগুলো আছে না, এগুলো যদি হুট করে কেউ নিয়ে নেয়!’
রুনা লায়লার এমন মন্তব্যে পুরো মিলনায়তন হাসিতে ফেটে পড়ে। এরপর তিনি আরও যোগ করেন, ‘কিন্তু উনি (আফজাল হোসেন) তো নিরাপদ।’ তার এই স্বতঃস্ফূর্ত রসবোধ দর্শকদেরও দারুণভাবে আনন্দ দেয়।
রুনা লায়লার হাতে থাকা হীরার আংটির সংগ্রহ নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। জানা যায়, মাত্র ১৫ বছর বয়সে করাচিতে মা আমিনা লায়লার কাছ থেকে পাওয়া একটি ডায়মন্ডের আংটি দিয়েই তার সংগ্রহের শুরু। পরে সংগীতজীবনের বিভিন্ন সময়ে নিজের পছন্দে আরও অনেক হীরার আংটি সংগ্রহ করেন তিনি। মঞ্চে তার পরিবেশনার পাশাপাশি হাতে থাকা বাহারি আংটিগুলোও বরাবরই দর্শকের নজর কেড়েছে।
রুনা লায়লার কথার পর স্মৃতিচারণ করেন আফজাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবনের বিস্ময়গুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন, যারা আজও বিস্ময় হয়েই রয়ে গেছেন।’
বাংলাদেশ টেলিভিশনের শুরুর দিনের একটি স্মৃতি তুলে ধরে আফজাল হোসেন বলেন, অভিনয়ের শুরুতে একদিন স্টুডিও থেকে বের হওয়ার সময় দূর থেকে প্রথমবার রুনা লায়লাকে দেখেছিলেন তিনি। সেই মুহূর্তের অনুভূতি আজও তার মনে গেঁথে আছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে অনেক তারকারই জৌলুস কমে যায়। কিন্তু রুনা লায়লা নিজেকে এমনভাবে ধরে রেখেছেন যে, চার দশক আগে যেমন তারকাদীপ্ত ছিলেন, আজও ঠিক তেমনই আছেন। তিনি সত্যিকার অর্থেই আকাশের তারকা।’
রুনা লায়লার এই একক সংগীতানুষ্ঠান ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ৭০০ আসনের জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনের সব টিকিট বিক্রি হয়ে যায় প্রথম দিনেই। সন্ধ্যায় দেশাত্মবোধক গান ‘দেশের জন্য যারা’ দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন তিনি। এরপর একে একে পরিবেশন করেন ‘শিল্পী আমি’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘গানেরই খাতায়’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘আমায় গেঁথে দাও না’, ‘বন্ধু তিন দিন’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝরে’, ‘সাধের লাউ’ এবং প্রথমবারের মতো মঞ্চে নজরুলসংগীত ‘ভুলিতে পারি না’।
সবশেষে দর্শকদের বিশেষ অনুরোধে ‘দমাদম মাস্ত কালান্দার’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় স্মরণীয় এই সংগীতসন্ধ্যা। প্রতিটি গানের পর করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে মিলনায়তন, যা আবারও প্রমাণ করে-প্রজন্ম বদলালেও রুনা লায়লার গানের আবেদন আজও অমলিন।