Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

শিক্ষা

শিক্ষকদের বেতন-বাড়িভাড়া-ইনক্রিমেন্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

শিক্ষকদের বেতন-বাড়িভাড়া-ইনক্রিমেন্ট নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

বিজ্ঞাপন

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে কাজ করছেন কর্মকর্তারা। ফলে অধিদপ্তর থেকে এখনও এ সংক্রান্ত চিঠি না পাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ বেতন নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেনি। তবে আগামী সপ্তাহে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা সুখবর পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বা আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত চিঠি দিলে বেতন দেওয়ার বিষয়ে কাজ শুরু করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে বাজেটের সংস্থান না থাকা, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) জটিলতাসহ নানা কারণে গত মে মাসের বেতন যথাসময়ে পাননি মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীরা। পরে জুলাই মাসে একসঙ্গে মে ও জুন মাসের বেতন পেয়েছেন। 

জুলাই মাসের বেতন তারা যাতে যথাসময়ে পান, সে উদ্যোগ নেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট শাখা) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার বিষয়ে এখনও কোনও চিঠি দেয়নি মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। তাদের চিঠি পেলে আমরা কাজ শুরু করব। আজই চিঠি দিতে বলেছি। সেটি পেলে যত দ্রুত সম্ভব বেতন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

এ বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ও ইনক্রিমেন্ট নিয়ে কিছু টেকনিক্যাল কাজ চলছে। আশা করি, আগামী সপ্তাহে সুখবর পাবেন তারা।’

এর আগে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের মে ও জুন মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক ছাড় করা হয় গত ৭ জুলাই। পরে ৮ জুলাই থেকে জুন মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারেন তারা।

তাদের আগে বেসরকারি মাদ্রাসায় কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জনতা ব্যাংকের অ্যাকাউন্টধারীদের মে মাসের বেতন-ভাতার চেক ছাড় করা হয়। গত ৩০ জুন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার