বিজ্ঞাপন
মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশ হতে পারে, বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগ আইএমএফের
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি কমতে পারে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ তাদের অক্টোবর ২০২৬-এর পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামতে পারে। গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে উঠে যেতে পারে। যে কারণে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার তো বটেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়েও তৈরি হতে পারে নতুন উদ্বেগ।
চলমান বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের যৌথ বার্ষিক সভায় আজ সকালে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটির নাম ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ওই বছরের গড় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ ২০২৬–২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমবে। সঙ্গে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়ার আশঙ্কা আছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএসের হিসাবে, গত সেপ্টেম্বরে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
আইএমএফ বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও পূর্বাভাস দিয়েছে। তাদের মতে, ২০২৬ সালে বিশ্বের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। ২০২৭ সালে তা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হওয়ার কথা। ২০২৬ সালে বৈশ্বিক গড় মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে। ২০২৭ সালে তা কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে।
এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। তবে আগের বিভিন্ন প্রতিবেদনে আইএমএফ বলেছে, প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের। অর্থনীতি দুর্বল হলে নতুন বিনিয়োগ ও কাজের সুযোগ কমে যায়। বেসরকারি বিনিয়োগ প্রত্যাশামতো না বাড়লে শিল্প উৎপাদন, ব্যবসার প্রসার ও আয় বাড়ার গতি ব্যাহত হতে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।