বিজ্ঞাপন
সঞ্চয়পত্র কেনার আগে যে ৫টি ফাঁদ এড়িয়ে চলবেন
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
বিজ্ঞাপন
সঞ্চয়পত্র নিরাপদ ও নির্দিষ্ট মুনাফার বিনিয়োগ হিসেবে জনপ্রিয় হলেও না বুঝে বিনিয়োগ করলে কাঙ্ক্ষিত লাভের বদলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। জরুরি সময়ে টাকা আটকে যাওয়া, বিনিয়োগের সীমা না বোঝা, করের নিয়মে ভুল, ভুল স্কিম নির্বাচনসহ নানা কারণে কমে যেতে পারে মুনাফা। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেওয়া জরুরি।
সঞ্চয়পত্র সাধারণত পাঁচ বছর বা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কেনা হয়। জরুরি প্রয়োজনে মেয়াদপূর্তির আগে ভাঙাতে গেলে মুনাফা কমে যাওয়ার পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে কর্তন বা জরিমানা প্রযোজ্য হয়। তাই সম্পূর্ণ অর্থ লক-ইন করার আগে জরুরি তহবিলের জন্য পর্যাপ্ত নগদ টাকা হাতে রাখা উচিত।
প্রথমত, জরুরি টাকা আটকে যাওয়া। আপৎকালীন তহবিল বা চিকিৎসার জন্য লাগতে পারে, এমন টাকা ৩ থেকে ৫ বছরের জন্য আটকে যায়। টাকার প্রয়োজনে মেয়াদ শেষের আগেই ভেঙে ফেললে মুনাফা অনেক কমে যায়। তাই সঞ্চয়পত্র কেনার আগে ভাবুন। যদি কয়েক মাসের মধ্যে টাকা লাগতে পারে, এমন ভাবনা থাকে, তাহলে সঞ্চয়পত্র না কেনাই ভালো।
দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগের স্তর না বোঝা। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ধাপে ধাপে কমে যায়। তাই বিনিয়োগের টাকার পরিমাণ বেশি হলে এক নামে না রেখে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। এ ক্ষেত্রে করের ঝামেলা এড়াতে স্ত্রী–সন্তান, মা–বাবা, ভাই–বোনের নামে সঞ্চয়পত্র কেনাই ভালো। কারণ, তাদের উপহার হিসেবে অর্থ দিতে পারবেন। করের ঝামেলা নেই।
তৃতীয়ত, আয়কর রিটার্নের ভুল। নিয়ম অনুযায়ী কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন না দেখালে মুনাফা থেকে ১৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হয়। কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন না থাকলে ১০ শতাংশ উৎসে বসবে। অনেকের টিআইএন না থাকলেও সঞ্চয়পত্র কেনেন, মুনাফা কমে যায়।