Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

অর্থনীতি

উওরায় সিএনজি পাম্পে চালকদের ভিড়

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

উওরায় সিএনজি পাম্পে চালকদের ভিড়

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর উওরার ফিলিং স্টেশনগুলোতে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সিএনজি, ট্রাক ও প্রাইভেটকার চালিত যানবাহন চালকরা।  

রোববার (১৬) সকাল থেকে উত্তরার আব্দুল্লাহপুর, র‌্যাব-১ এর মেসার্স মাসুদ হাসান পাশে, আব্দুল্লাহপুরের এয়ারপোর্ট, গ্যাস পাম্প বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, গ্যাস সরবরাহ না থাকায় গাড়ির লম্বা লাইন রয়েছে অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে। এতে বাধ্য হয়ে সিএনজি ও ট্রাক চালিত যানবাহনে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রেখেছে ফিলিং স্টেশন।       

উত্তরা-আব্দুল্লাহপুরের পূর্ব পাশের খন্দকার ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় বিভিন্ন পাম্পে লম্বা সিরিয়াল লেগে আছে কিন্তু গ্যাস পাচ্ছে না। বাস ও মোটরসাইকেল যা আসছে তারা ডিজেল-অকটেন নিয়ে চলে যাচ্ছে।   

দৈনিক মেসার্স মাসুদ হাসান স্টেশনের ম্যানেজার বলেন, পরিবহনের বড় অংশই গ্যাস নির্ভর হওয়ায় এবং বিক্রি বন্ধ থাকায় সিএনজির লাইন বড় হয়ে গেছে।     

এই বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষ বলেন, আমরা পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছি না, তিতাস কোম্পানি আমাদেরকে গ্যাস সরবরাহ  ঠিকমত দিচ্ছে না। আমাদের কাছে না থাকলে আমরা কোথা থেকে দিবো, আমাদের অধিকাংশ গ্রাহকের যানবাহনই গ্যাসে চলে। গত সপ্তাহ ধরে পাম্পে গ্যাস পাচ্ছি না, এ জন্য বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ। গ্যাস না পেয়ে সবাই ফিরে যাচ্ছেন। এ জন্য ফিলিং স্টেশনের সামনে ও লম্বা লাইন । 

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরা-আব্দুল্লাহপুর এলাকার পশ্চিম পাশের আরএসআর ফিলিং স্টেশনে গিয়েও একই চিত্র দেখা গেছে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, পাম্পে গ্যাস না থাকায় মোবাইলে ভিডিও দেখে সময় পার করছেন বিক্রয়কর্মী জামান। যুগান্তরকে তিনি জানান, ৬-৭ দিন ধরে এ সমস্যা চলতেছে। আড়াইটার পর একটু চাপ ছিল, কিছুক্ষণ থেকে আবার চলে গেছে। সকাল ৭  টার পর থেকে এমনই বসে আছি।  

তবে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে ঠিক পাশের তাসিন ফিলিং স্টেশনে গিয়ে। সেখানে গ্যাসের জন্য সিএনজি-প্রাইভেটকারের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও চালকদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না তারা। 

মানিক নামে এক সিএনজি চালক জানান, আমি সকাল ৫ টা বাজে গ্যাসের জন্য আসছি কিন্তু এখনো আমি গ্যাস পাচ্ছি না। গাড়ির মালিককে জমা কোথা থেকে দিব আর আমরা কীভাবে সংসার চালাব। ছেলে মেয়ে কীভাবে মানুষ করব, সামনে মেয়ের স্কুলের বেতন দিতে হবে, এখন আমি কী করব জানি না।   

চালকদের অভিযোগ, গ্যাস না পাওয়ায় তাদের আয়-রোজগারও কমে গেছে। এমন অবস্থায় প্রতিদিনের গাড়ির জমা দিতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।   

আরও পড়ুন
জাহিদ হোসেন নামের অপর সিএনজি চালক জানায়, প্রতিদিন মহাজনরে জমা দিতে হয় ১২০০ টাকা। গ্যাস লাগে প্রায় ৪০০ টাকার। এর বাইরে সারাদিনে আমারও দুই-আড়াই’শো টাকা খরচ আছে। সব মিলাইয়া পনের থেকে দুই হাজার টাকা খরচ। গ্যাস না পাওয়ায় গত ৭ দিন ধরে ইনকাম বন্ধ।   

ভোগান্তির বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ ফিলিং স্টেশন ম্যানেজার মো. শাকিব হোসেন বলেন,  এক সপ্তাহে ধরে গ্যাসের চাপ নেই। আশপাশের সবগুলো ফিলিং স্টেশন বন্ধ। কারণ, বিদ্যুৎ খরচ করে পাম্প চালালেও গ্যাসের প্রেশার একেবারেই নেই।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার