বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়ে আবারও বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ১০ জুলাই নতুন মূল্য নির্ধারণ করে, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সেই অনুযায়ী শনিবার (১১ জুলাই) সারা দেশে নতুন দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছিল, স্থানীয় বাজারে পিওর গোল্ড ও সিলভারের দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বশেষ সমন্বয়ে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং রুপার দাম বেড়েছে ১১৭ টাকা।
বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৯১৬ টাকায়।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
এর আগে, ৯ জুলাই স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এক দিনের ব্যবধানে আবারও মূল্যবান এই ধাতুর দাম বাড়ানো হয়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৮৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৪ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। একই সময়ে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৫৫ বার; যার মধ্যে ২৮ বার বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে।