বিজ্ঞাপন
জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ, আরও বাড়ার শঙ্কা
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম
বিজ্ঞাপন
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান, বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি চাহিদা এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এমন পরিস্থিতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকরা পূর্বাভাস দেন, ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য নতুন যুদ্ধের দিকে ধাবিত হওয়ায় এই জ্বালানির দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি উঠতে পারে।
এনার্জি ও রিফাইনিংয়ের (আইসিআইএস) ডিরেক্টর অজয় পারমার বলেন, যদিও সামরিক হামলা হলে তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। তবে এখানে প্রধান বিষয় হলো হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়া।
তিনি আরও বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি- সপ্তাহ শেষে প্রতি ব্যারেল দাম প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি চলে যাবে এবং যদি হরমুজ প্রণালী দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে তবে সেই দামও ছাড়িয়ে যেতে পারে। খবর রয়র্টাসের।
প্রখ্যাত জ্বালানি গবেষণা সংস্থা রাইস্ট্যাড এনার্জি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল নিয়ে পর্যালোচনা করেছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ইরানের ওপর ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার জেরে সোমবার (২ মার্চ) বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অন্তত ২০ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এ দাম বাড়ার প্রধান কারণ হলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে ঢুকত যা বর্তমানে বন্ধ আছে। মধ্যপ্রাচ্যে তেলের বিকল্প অবকাঠামো ব্যবহার করা হলেও শেষ পর্যন্ত বাজারে প্রতিদিন ৮০ লাখ থেকে ১ কোটি ব্যারেল তেলের নিট ঘাটতি থেকে যাবে।
তেলের দাম ২০ ডলার বাড়লে পরিবহণ খরচ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বিশ্বজুড়ে হু হু করে বেড়ে যেতে পারে, যা নতুন করে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি করছে।
বিজ্ঞাপন