বছরের প্রথম কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে বড় উত্থান, বেড়েছে লেনদেনও
বিজনেস ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
সদ্য বিদায় নেওয়া ২০২৫ সালে পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ কার্যদিবসেই বেশিসংখ্যক শেয়ারে দরপতন হয়েছে। এতে বছরটিতে সবগুলো মূল্যসূচক কমেছে। এর মধ্যে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৫১ বা ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে যায়।
তবে, নতুন বছর শুরু হতেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে পুঁজিবাজার। ২০২৬ সালের প্রথম কার্যদিবসে আজ বৃহস্পতিবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। এতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো মূল্যসূচক বেড়েছে। বাজারে লেনদেনেও গতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক বেড়েই নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেন শেষ হয়।
আজ দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৬টির। আর ৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৪২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৩৮টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৮টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২০টির এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত ৩৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
প্রধান মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৮ কোটি ১৫ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৫৪ কোটি ৪ টাকা। এ হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা।
আজকের লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকার। ১১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৮১ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৮টির এবং ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
তবে, নতুন বছর শুরু হতেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে পুঁজিবাজার। ২০২৬ সালের প্রথম কার্যদিবসে আজ বৃহস্পতিবার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে। এতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সবগুলো মূল্যসূচক বেড়েছে। বাজারে লেনদেনেও গতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় লেনদেনের শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচক বেড়েই নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসের লেনদেন শেষ হয়।
আজ দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ২৬৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৬টির। আর ৬২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৪২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৩৮টির দাম কমেছে এবং ২৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৫৯টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৮টির দাম কমেছে এবং ১৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২০টির এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত ৩৫টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১১টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪৫ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৯১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
প্রধান মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৮ কোটি ১৫ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৫৪ কোটি ৪ টাকা। এ হিসেবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ১৪ কোটি ১১ লাখ টাকা।
আজকের লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা উত্তরা ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকার। ১১ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।
অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৮১ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৮টির এবং ১২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা।