Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

পরকীয়া সন্দেহে নারীর চুল কেটে শরীরে মরিচের গুঁড়া দেওয়ার অভিযোগ

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম

পরকীয়া সন্দেহে নারীর চুল কেটে শরীরে মরিচের গুঁড়া দেওয়ার অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

ঝিনাইদহে পরকীয়ার সন্দেহে ৪০ বছর বয়সী এক নারীকে মারধর, মাথার চুল কেটে দেয়া এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেছেন। তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। সম্প্রতি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার করাতিপাড়া গ্রামের প্রামাণিক পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ বিল্লাল হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, করাতিপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহের জেরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথমে পার্শ্ববর্তী নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুর রশিদ ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলে তাকে শাসিয়ে যান।

এর কিছুক্ষণ পর আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছেলে ওই নারীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা ওই নারীর চুল কেটে দেন এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয় এক পল্লিচিকিৎসকের কাছে তার চিকিৎসা করানো হয়। ওই রাতেই তিনি ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী নারীর ছেলে জানান, মায়ের চিৎকার শুনে ঘর থেকে বের হয়ে তিনি কয়েকজনকে তার মাকে মাটিতে ফেলে শরীরে মরিচের গুঁড়া লাগাতে দেখেন। বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে আব্দুর রশিদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আনোয়ার হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদেরও পাওয়া যাচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ বিল্লাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নারী। আসামিদের মধ্যে আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছেলে রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় আরেক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার