Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা —ছদ্মবেশে অপরাধের খবর করতেন সাংবাদিক আলিফ

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা —ছদ্মবেশে অপরাধের খবর করতেন সাংবাদিক আলিফ

বিজ্ঞাপন

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা, আবার কখনো মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির ছদ্মবেশে সীমান্ত এলাকায় তথ্য সংগ্রহ করতেন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন তিনি।

সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, এসব প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে আগেও তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন তিনি। রাত সোয়া ৮টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসভার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উতরাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

আলিফ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা আগে পেজটিতে প্রকাশিত সর্বশেষ পোস্টগুলোর একটিতে একটি ঘোষণা ছিল।

আরও পড়ুন
সহকর্মী ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, অনুসন্ধানের প্রয়োজনে ছদ্মবেশে অপরাধচক্রের কাছাকাছি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন আলিফ। আগেও তার ওপর হামলার চেষ্টা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা। এরপরও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়নি। এ অবস্থায় তার নিরাপত্তাঝুঁকি যথাযথ গুরুত্ব পেয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।

এ ঘটনায় আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর গত শনিবার দিনগত রাত ১টার দিকে দুর্গাপুর পৌর শহরের মধ্যবাজার এলাকার পুরোনো সিনেমা হলের পাশ থেকে সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্বরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমশের আলীর ছেলে।

আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাজিবুলের এক দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে দুর্গাপুর চৌকি আদালতের জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল আমিন ভূঁইয়া এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।

রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্গাপুর থানার এসআই আসাদুল ইসলাম।

দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমদ বলেন, হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার