বিজ্ঞাপন
কাপ্তাই হ্রদে পেটে পাথর বাঁধা অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
বিজ্ঞাপন
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজের চারদিন পর আরাফাত (১৯) নামে এক যুবকের পেটে পাথরে বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের কর্মস্থল মাছ ধরার বোটের মালিক শফিককে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে বরকল উপজেলার ১ নম্বর শুভলং ইউনিয়নের জোড়াটিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পানির নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, এ ঘটনায় হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন আরাফাত। তিনি শফিকের মাছ ধরার বোটে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কেঁসকি জাল টেনে মাছ ধরা ছিল তার দায়িত্ব। নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। বোটের মালিক শফিকসহ অন্যরাও তাকে খোঁজার কথা জানান। পরে কাপ্তাই হ্রদের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায় রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
পুলিশের সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লংগদু উপজেলার মহালছড়ি এলাকা থেকে শফিককে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে জোড়াটিলা এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে হ্রদের পানির নিচ থেকে আরাফাতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পেটের সঙ্গে পাথরবাঁধা অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাঙ্গামাটির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে শফিককে আটক করা হয়েছে। নিহতের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।