Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

সাত বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৮০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ এএম

সাত বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৮০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

বিজ্ঞাপন

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার সাতপুকুরিয়া গ্রামের আনুমিয়া (৮০) নামের এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গত বুধবার দুপুরের দিকে উপজেলার পোমগাঁও গ্রামের হিজ্জার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। 

অভিযুক্ত বৃদ্ধ আনুমিয়া উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া গ্রামের মৃত গফুর মিয়ার ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন অভিযুক্ত আনুমিয়া শিশুটিকে টাকার লোভ দেখিয়ে তার ঘরে ডেকে নেন।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরেক বাচ্চাকে ৫০ টাকা দিয়ে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হন। এরপর শিশুটিকে ঘরের ভেতরে নিয়ে দরজা আটকে পাশবিক নির্যাতন চালান ওই বৃদ্ধ।

ভুক্তভোগী শিশুটি বলে, ‘আমাকে ৫০ টাকা দিয়ে ঘরের ভেতর ডেকে নিয়ে আমার ওপর উঠে পড়েন আনুমিয়া। আমার সাথে এর আগেও এমন কয়েকবার করেছেন তিনি।’

পরে এলাকায় বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত আনুমিয়াকে একটি বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে বেঁধে রাখে। পরবর্তীতে স্থানীয়ভাবে সালিশের কথা বলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত আনু মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, শিশুটি তার কাছে তরকারি নিতে গিয়েছিল এবং তার ওপর কোনো নির্যাতনের চেষ্টা তিনি করেননি।

প্রতিবেশীরা জানায়, শিশুটির বাবা-মা দুজনেই ঋণের দায়ে গত এক মাস ধরে এলাকাছাড়া। বর্তমানে মেয়েটি তার চাচার কাছে থাকে।

এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শিশুটির সঙ্গে এমন জঘন্য অপরাধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশের সহকারী পরিদর্শক (এসআই) সুনয়ন বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পরবর্তীতে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 

মনোহরগঞ্জ থানার ভারপপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ জানান, মনোহরগঞ্জ থানায় ওই বৃদ্ধের বিররুদ্ধে শিশুটির বাবা ধর্ষণ মামলা করেছেন। তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গেপ্রপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার