Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

৩ মাস ধরে ধর্ষণের শিকার, মাদরাসাছাত্রের কল, "মা আমাকে নিয়ে যাও"

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম

৩ মাস ধরে ধর্ষণের শিকার, মাদরাসাছাত্রের কল,

বিজ্ঞাপন

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১০ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে প্রায় তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে এবং মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকে আটক করে।

স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাতে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় প্রায় পাঁচ বছর আগে মারকাজুল উম্মাহ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান। প্রায় তিন বছর আগে সেখানে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন আল আমিন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা এলাকার ১০ বছর বয়সী ওই ছাত্র নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয়ে আবাসিকভাবে থাকতে শুরু করে। পরিবারের অভিযোগ, এরপর থেকে প্রায় তিন মাস ধরে বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেন শিক্ষক আল আমিন।

পরিবারের দাবি, নির্যাতনের পর শিশুটির পেটে ব্যথা এবং পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্ত পড়াসহ শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। অসুস্থতার কথা জানালে তার মা তাকে ছুটিতে বাড়িতে নিয়ে যান।

বাড়িতে যাওয়ার পর এক সকালে শিশুটির নানা আজিজুর রহমান টয়লেটে রক্ত দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি শিশুটির মাকে জানান। তবে ভয় ও আতঙ্কে শিশুটি প্রথমে নির্যাতনের কথা পরিবারের কাছে প্রকাশ করেনি।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক আল আমিন ও মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামানকে আটক করে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক বা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। শিশুটির ওপর নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার