বিজ্ঞাপন
চাঁদা দাবিতে ব্যবসায়ীর অফিস ভাঙচুর-লুটপাট, যুবদল-ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
বিজ্ঞাপন
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর অফিসে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে রাতে দর্শনা থানায় তাদের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা করেন ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম।
আটকরা হলেন, দর্শনা থানা যুবদলের সদস্য রকিবুল ইসলাম ব্রাইট ও কলেজ ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ অমিন।
ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, সম্প্রতি আমদানিকৃত পাথরের চালানের পণ্য খালাসের একটি কাজ নিয়ে আরেক সিএন্ডএফ এজেন্ট মোহাম্মদ রায়হানের সঙ্গে ব্যবসায়িক বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের সুযোগে একটি চক্র তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বৃহস্পতিবার রাতেও তাকে ফোন করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরদিন শুক্রবার সকালে টাকা না দিলে অফিসে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর হুমকি দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর দুপুরে দর্শনা রেলগেট এলাকায় তার অফিসে লাঠিসোঁটা নিয়ে একদল লোক হামলা চালায়। এসময় হামলাকারীদের অনেকে মদপানে মাতাল ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রফিকুলের দাবি, হামলাকারীরা অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফটোকপি মেশিন ও বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে। এসময় তার কক্ষে প্রবেশের জন্য দরজা ভাঙারও চেষ্টা করা হয়। অফিসে থাকা ২৩ লাখ ৩০ হাজার নগদ টাকা ও স্বাক্ষর করা দুটি ব্যাংক চেক ছিল লুট হয়েছে।
এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রথমে চারজনকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে যুবদল নেতা ব্রাইট ও ছাত্রদল নেতা অমিনকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
দর্শনা থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, আটক দুইজনের বিরুদ্ধে ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাদাবির মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে।