বিজ্ঞাপন
হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছেন অথচ বিএনপির বেলায় চুপ
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩০ এএম
বিজ্ঞাপন
অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের ছাড় দিলেও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর কেন ক্ষুব্ধ আলেম-ওলামারা—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যাখ্যামূলক স্ট্যাটাসে তুলে ধরেছেন মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
শনিবার দিনগত রাত (২৯ আগস্ট) ফেসবুকে দেওয়া রফিকুল ইসলাম মাদানীর স্ট্যাটাস পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না, তাহলে তো এরা ফান্ডিং আন্দোলন করে!’
‘আমরা যদি প্রশ্ন করি—সবাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?’

মাদানী লেখেন, ‘আমাকে ফোনে একদিন হাসনাত ভাই বললেন, “ভাই, জরুরি ঢাকা আসেন, হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে।” আমি তখন অবাক—এই পরিস্থিতিতে উনি আমার নাম্বার কোথায় পেলেন!’
‘আমিও সোজা চলে গেলাম, সাথে যারা ছিল তাদের নিয়ে গিয়ে দেখলাম, শাহবাগে অনেক মাদ্রাসা ছাত্ররাও সেখানে উপস্থিত! পরবর্তীতে তো দেশ স্বাভাবিক হলে উনার বাড়িতে উনার দাওয়াতে মাহফিলেও গিয়েছি।’
তিনি লেখেন, ‘রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝে মধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!’
‘কিন্তু যাদের সাথে আমাদের এত সম্পর্ক, যাদের সাথে হাতে-হাত রেখে আন্দোলন করলাম, যাদের বিপদে দোয়া করি, যাদের দুর্দিনে আমরা পাশে দাঁড়াই, তারাও আমাদের পাশে দাঁড়ায়!’
ফেসবুক পোস্টে ইসলামি এই বক্তা লেখেন, ‘খেয়াল করলে দেখবেন 'হাসানাত আব্দুল্লাহ, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারি বা নাহিদ ইসলামরা যখন কোন মাদ্রাসায় যায় বা মসজিদে যায়, ছাত্ররা কি পরিমাণ সম্মান করে ও মোহাব্বত দেখায়, একেবারে তারা তাদের নিজেদের লোক মনে করে ‘
‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই! আওয়ামী লীগ বিএনপিতে থাকা শাহবাগী মার্কা কথা বলা বিদেশি এজেন্টদের কথা শুনলে মনে হয়—ওহ, এ আর নতুন কী? এরা তো চিহ্নিত কালপ্রিট!’
তিনি আরও লেখেন, ‘আর যাদের ডাকে আমরা যাই, যাদের প্রতি মোহাব্বত রাখি, তারা এমন করলে মনে হয় বেঈমানী! ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!’