Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

সারাদেশ

কর্মস্থল থেকে উধাও চিলমারী বন্দর বন্দর কর্মকর্তা!

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

কর্মস্থল থেকে উধাও চিলমারী বন্দর বন্দর কর্মকর্তা!

বিজ্ঞাপন

সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কের পর আকস্মিক লাপাত্তা হয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চিলমারী নদী বন্দরের পোর্ট কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র রায়। কয়েক দিন ধরে তাকে কর্মস্থলে দেখা যাচ্ছে না। তার অনুপস্থিতিতে বন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু রাখতে বাঘাবাড়ী নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার মো. মাহাবুব আলম তায়েফকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে পোর্ট কর্মকর্তা পুতুল চন্দ্র রায়ের রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীত কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের একটি প্যাডের ছবি রয়েছে। ওই প্যাডে তাকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্যাডটির সত্যতা এবং ওই পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর আগে ২০২২ সালের ১৭ মে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের সঙ্গে পুতুল চন্দ্র রায়ের বিরোধ হয়। এ সময় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরে ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই হঠাৎ তার কর্মস্থল চিলমারী বন্দরে আর দেখা যাচ্ছে না।

পুতুল চন্দ্র রায় ২০২৫ সালের শুরুর দিকে চিলমারী নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার হিসেবে যোগ দেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে পুতুল চন্দ্র রায় বলেন, চিলমারীর মানুষের সঙ্গে আর দেখা হবে না। বদলি হয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আমি বলব না। আপনারা জেনে নিন।

একটি সূত্রের দাবি, চিলমারী বন্দরে পুতুল চন্দ্র রায় একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি অন্য বন্দরে বদলির জন্য ঢাকা অফিসে তদবির চালাচ্ছেন।

চিলমারী বন্দরের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পোর্ট কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম তায়েফ বলেন, বন্দরের প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান আছে। আগামী সপ্তাহে আমি চিলমারীতে আসব।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার